Published on
:
1 min read
এই সময়: পুজোর মাসে বেতন বৃদ্ধির নির্দেশিকা বেরিয়েছিল। কিন্তু বৃহস্পতিবার, দুর্গাপুজোর পঞ্চমীর দিনও রাজ্যের উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলগুলোয় কর্মরত ভোকেশনাল শিক্ষক–শিক্ষিকাদের সেপ্টেম্বরের বেতন মেলেনি বলে অভিযোগ।
প্রবল সঙ্কটে ন্যাশনাল স্কিলস কোয়ালিফিকেশন ফ্রেমওয়ার্কের (এনএসকিউএফ) আওতাধীন বৃত্তিমূলক শিক্ষক-শিক্ষিকারা। কারণ, উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ অনুমোদিত স্কুলগুলিতে ৩,১১০ জন শিক্ষক–শিক্ষিকা কর্মরত। তাঁদের অনেকেরই জুলাই–অগস্ট থেকে বেতন জোটেনি। অথচ রাজ্যের কারিগরি শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দপ্তর অক্টোবর থেকেই সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের মাসিক দু'হাজার টাকা ভাতাবৃদ্ধির কথা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
'ইউনাইটেড ওয়েস্টবেঙ্গল এনএসকিউএফ টিচার্স অ্যাসোসিয়েশনে'র নিরূপম কোলে বলেন, 'রাজ্যে ডাবল ইঞ্জিন সরকার হলেও কেন্দ্র আমাদের বেতন খাতে বরাদ্দ টাকা দিচ্ছে না বলে বিকাশ ভবনের কর্তাদের দাবি। রাজ্যও তার প্রতিশ্রুতি রাখছে না। বাধ্য হয়ে আমরা মুখ্যসচিবকে গণ–মেল করছি।'
তাতে দাবি করা হয়েছে, অবিলম্বে এজেন্সি প্রথার বিলোপ ঘটিয়ে স্কুলশিক্ষা দপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত করে কর্মরত ভোকেশনাল ট্রেনারদের বেতন বৃদ্ধি ও বেতন কাঠামো–সহ স্থায়ীকরণ করা হোক। পুজোর আগে বকেয়া বেতন সরাসরি ব্যাঙ্কে পেমেন্ট করারও দাবি তুলেছেন তাঁরা।
