কালবেলা · general
শিক্ষার্থীরা নিজেদের সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: সিউক চেয়ারম্যান
১১/১০/২০২৬

সিলেট উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেছেন, সিলেটে নারী শিক্ষার প্রসারে মইনউদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজ দীর্ঘদিন ধরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। এ প্রতিষ্ঠান কেবল একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নয়, সিলেটের নারী শিক্ষার অগ্রগতিতে এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
রোববার (১১ অক্টোবর) সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মইনউদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, সিলেটের শিক্ষাক্ষেত্রে, বিশেষ করে নারী শিক্ষার প্রসারে মইনউদ্দিন আদর্শ মহিলা কলেজ দীর্ঘদিন ধরে অনন্য ও উজ্জ্বল ভূমিকা পালন করে আসছে। এ প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা প্রশংসনীয়।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জ্ঞানচর্চা, নৈতিকতা ও সৃজনশীলতায় উদ্বুদ্ধ হয়ে নিজেদের যোগ্য ও সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে আগামী দিনেও কলেজের ভৌত অবকাঠামোগত উন্নয়নসহ সার্বিক অগ্রযাত্রায় পাশে থাকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
মইনউদ্দিন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. আবিদুর রহমানের সভাপতিত্বে ও বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আলমগীর হোসেনের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান রহিমা বেগম।
শিক্ষকদের মধ্যে বক্তব্য দেন- ব্যবস্থাপনা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. এনামুল হক চৌধুরী সোহেল এবং বাংলা বিভাগের প্রধান আজির উদ্দিন। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ফারজানা সিদ্দিকা এবং দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মিশকাত উল আফরা সামিয়া।
এছাড়া বক্তব্য দেন- কলেজের গভর্নিং বডির সদস্য আব্দুল হাকিম, ডা. সোলায়মান আহমেদ, মখছুছুল করিম, আজিজুল ইসলাম, জিল্লুল হক ও সাব্বির আহমদ। অনুষ্ঠানে গার্হস্থ্য বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক সালমা বেগম, গণিত বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মো. আলমগীর, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কুরআন তেলাওয়াত করেন দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী মাইশা বেগম এবং গীতা পাঠ করেন ইংরেজি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সুস্মিতা আইচ রিমি। এরপর ঐশী, প্রমি, হৈমন্তী, স্নিগ্ধা ও প্রিয়ন্তী জাতীয় সংগীত পরিবেশন করেন।
আলোচনা সভা শেষে শিক্ষার্থীদের পরিবেশনায় দেশাত্মবোধক গান ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ পরিবেশিত হয়। পরে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗