গাজীপুর প্রতিনিধি :
জনপ্রতিনিধি না হয়েও নিজস্ব উদ্যোগ ও অর্থায়নে টানা সামাজিক ও উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে আলোচনার শীর্ষে রয়েছেন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী মো. শরিফুল ইসলাম খান। রাস্তা মেরামত, অসহায় মানুষের সহায়তা, বস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ, এডিস মশা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান এবং মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক নানা পদক্ষেপে তাঁর কার্যকর উপস্থিতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শরিফুল ইসলাম খান দীর্ঘদিন ধরে এলাকার সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত। নেতাকর্মী ও স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে তিনি নিজ অর্থায়নে এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তাঘাট মেরামত করেছেন। পাশাপাশি অর্থসংকটে থাকা অসহায় পরিবারের মেয়েদের বিয়েতে সহায়তাসহ দরিদ্র মানুষের মাঝে বস্ত্র ও নগদ অর্থ বিতরণ করে আসছেন। এছাড়া স্থানীয় বিরোধ নিষ্পত্তি, পারিবারিক কলহ দূর করা এবং মসজিদ-মাদ্রাসার উন্নয়নেও তিনি অবদান রাখছেন।
ডেঙ্গু প্রতিরোধেও মাঠে দেখা গেছে এই প্রার্থীকে। ওয়ার্ডে এডিস মশার বংশবৃদ্ধি রোধে জনসচেতনতা তৈরির পাশাপাশি নেতাকর্মীদের নিয়ে নিজে পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশ নিয়েছেন তিনি।
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও অঙ্গীকার বিষয়ে মো. শরিফুল ইসলাম খান বলেন, “আমি নির্বাচিত হলে ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডকে মাদকমুক্ত একটি আদর্শ ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তুলব। বিচারের নামে কোনো অবিচার বা মিথ্যা মামলায় যেন কেউ হয়রানির শিকার না হন, তা নিশ্চিত করা হবে।”
গার্মেন্টস অধ্যুষিত এই এলাকায় শ্রমিকদের যাতায়াত নিরাপদ করতে চুরি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন তিনি। এছাড়া নাগরিকদের জন্মনিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র সেবা সহজীকরণ এবং সরকারি বিভিন্ন প্রণোদনা ও ভাতা প্রকৃত উপকারভোগীদের ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দেন। এলাকার প্রধান সমস্যা জলাবদ্ধতা দূরীকরণে পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা ও আধুনিক অবকাঠামো গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান এই প্রার্থী।
তিনি আরও বলেন, “জনগণের সমর্থন পেলে শাসক বা প্রতিনিধি নয়, সাধারণ মানুষের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই। ওয়ার্ডবাসীকে সাথে নিয়ে একটি নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও আধুনিক ওয়ার্ড উপহার দেওয়াই আমার মূল লক্ষ্য, ইনশাআল্লাহ।”
এদিকে শরিফুল ইসলাম খানের এমন সমাজসেবামূলক কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। তবে সচেতন মহলের মতে, নির্বাচিত হলে প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে প্রশাসনিক সমন্বয় ও ওয়ার্ডবাসীর সক্রিয় অংশগ্রহণ বড় ভূমিকা রাখবে।

