শিক্ষা ডেস্ক: দেশের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। তিনি মনে করেন, শিক্ষার্থীদের কেবল গতানুগতিক একাডেমিক জ্ঞান অর্জন করলেই চলবে না, বরং বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে হলে তাদের নানা ধরনের ব্যবহারিক শিক্ষায় পারদর্শী হতে হবে। সরকারের নীতিনির্ধারক মহল বিষয়টি উপলব্ধি করে ইতিমধ্যে শিক্ষা কার্যক্রমে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনার কথা ভাবছে বলে তিনি জানান।
আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হলে প্রথাগত পড়াশোনার পাশাপাশি প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার শেখা অত্যন্ত জরুরি। শিক্ষামন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বর্তমান যুগের চাহিদার কথা মাথায় রেখে শিক্ষার্থীদের ছোটবেলা থেকেই প্রযুক্তিগত জ্ঞানে সমৃদ্ধ করে তুলতে হবে। এর ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কেবল চাকরির পেছনে না ছুটে বরং নিজেদের কর্মসংস্থান সৃষ্টির উপযুক্ত হয়ে গড়ে উঠতে পারবে।
শিক্ষার মানোন্নয়নে সরকার বিভিন্ন সময় নানা ধরনের সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে এবং আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে। শিক্ষাবিদ ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে শিক্ষাক্রমকে আরও যুগোপযোগী করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে রূপান্তর করা, যেন তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সফলভাবে অবদান রাখতে পারে।
সবশেষে শিক্ষামন্ত্রী দেশের শিক্ষা খাতের এই রূপান্তর প্রক্রিয়ায় শিক্ষক, অভিভাবকসহ সমাজের সকল স্তরের মানুষের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেছেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে একটি কাঙ্ক্ষিত মানে উন্নীত করা সম্ভব হবে। সরকার শিক্ষাক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ ও অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর রয়েছে।
