২৩ বছর বয়সি চ্যাপম্যান শনিবার গিয়েছিলেন ইংল্যান্ডের ডনকাস্টারের কাছের ইয়র্কশায়ার ওয়াইল্ডলাইফ পার্কে৷ ঘুরতে ঘুরতে বাঘের এলাকায় ঢুকে পড়েন তিনি৷ বাঘের আক্রমণে সেখানেই মৃত্যু হয় তার৷
তার ওপর বাঘের আক্রমণের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছিল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে৷ ডনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশালে সেই ভিডিও ফুটেজ শেয়ার করেন গতকাল (মঙ্গলবার)৷ ভিডিও পোস্টের শেষে নিজের পুরো নাম সংক্ষেপে উল্লেখ করে ট্রাম্প লিখেছিলেন, ‘‘প্রকৃতির সঙ্গে কখনো এমন আচরণ করো না! প্রেসিডেন্ট ডিজেটি৷'' তারপর এআই দিয়ে তৈরি আরেকটি ভিডিও শেয়ার করেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট৷ তবে তিনি নিজে এক বাঘকে বশ করছেন – এমন দৃশ্যের সেই ভিডিও নিয়ে তেমন কোনো আলোচনা নেই৷ খবরের শিরোনামে এসেছে উইলিয়াম চ্যাপম্যানের বাঘের আক্রমণে মারা যাওয়ার ভিডিও৷
ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ায় চরম মানসিক যন্ত্রণার শিকার হচ্ছেন জানিয়ে তা আর শেয়ার না করার আহ্বান জানিয়েছে চ্যাপম্যানের পরিবার৷
ব্রিটেনে সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে পরিবার বলেছে, ‘‘অত্যন্ত আপত্তিকর ওই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ায় নাজুক এক সময়ে আমরা চরম মানসিক যন্ত্রণার শিকার হচ্ছি৷ সবার প্রতি এমনটি আর না করার অনুরোধ করছি৷''
বিবৃতিতে পরিবার জানিয়েছে, উইলিয়াম চ্যাপম্যান ছিলেন ‘‘মেধাবী, আন্তরিক ও মিশুক এক তরুণ৷'' তবে তিনি বেশ কয়েক বছর ধরে গুরুতর মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন বলেও বিবৃতিতে জানানো হয়েছে৷
এসিবি/ জেডএইচ (রয়টার্স)
