হোটেল, রিসোর্ট, ভ্রমণ সংস্থা ও পর্যটন পেশাজীবীদের বিভিন্ন অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে এসব পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার পর্যটন ও আতিথেয়তা খাতের আঞ্চলিক স্বীকৃতি সাউথ এশিয়ান ট্রাভেল অ্যাওয়ার্ডসের (সাটা) এবারের আসরে ২২টি পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছে বাংলাদেশ।
এবারের আসরে বাংলাদেশের পর্যটন খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ সমন্বয় করেছে ইউনাইটেড ট্যুরিজম স্টেকহোল্ডার্স সোসাইটি অব বাংলাদেশ (উৎসব)।
মঙ্গলবার সংগঠনটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হোটেল, রিসোর্ট, ভ্রমণ সংস্থা ও পর্যটন পেশাজীবীদের বিভিন্ন অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে এসব পুরস্কার দেওয়া হয়েছে।
এবারের আসরে সেরা প্রচারণা কার্যক্রম বিভাগে স্বর্ণপদক পেয়েছে ঢাকার ক্রাউন প্লাজা ঢাকা গুলশান।
দক্ষিণ এশিয়ার সেরা নতুন হোটেল বা রিসোর্ট নির্বাচিত হয়েছে ঢাকার উত্তরা এলাকার হায়াত প্লেস ঢাকা উত্তরা।
দক্ষিণ এশিয়ার সেরা মহাব্যবস্থাপক বিভাগে স্বর্ণপদক পেয়েছেন প্লাটিনাম গ্র্যান্ড বাই শেলটেকের আলমগীর হোসাইন।
এ ছাড়া সেরা পরিবেশবান্ধব হোটেল বা রিসোর্ট নির্বাচিত হয়েছে এসকেএস ইন রিসোর্ট।
সেরা ব্যবসায়িক হোটেলের স্বীকৃতি পেয়েছে ঢাকার র্যাডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেন এবং ৪০টির বেশি কক্ষের সেরা নগর হোটেল নির্বাচিত হয়েছে র্যাডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউ।
সেরা বিলাসবহুল হোটেল বা রিসোর্টের স্বীকৃতি পেয়েছে কক্সবাজারের বেওয়াচ হোটেল।
সেরা সামাজিক দায়বদ্ধতা কর্মসূচি বিভাগে স্বর্ণপদক পেয়েছে চট্টগ্রামের দ্য পেনিনসুলা।
পুরস্কার পাওয়া অন্য বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্ট, সায়মন বিচ রিসোর্ট, দ্য ওয়ে ঢাকা, ফার্স হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টস, দ্য ওয়েস্টিন ঢাকা, মোমো ইন পার্ক অ্যান্ড রিসোর্ট, সায়মন হেরিটেজ, হানসা-এ প্রিমিয়াম রেসিডেন্স, প্লাটিনাম রেসিডেন্স বাই শেলটেক, বাংলাদেশ ট্যুর গ্রুপ এবং ট্রাভেল ক্লাসিক।
পুরস্কারের তালিকায় রয়েছে বিমানবন্দরসংলগ্ন হোটেল, সমুদ্রসৈকতের রিসোর্ট, অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক ভ্রমণসেবা, পারিবারিক অবকাশকেন্দ্র এবং খাবার ও পানীয়সেবার মত বিভিন্ন বিভাগ।
সাটা বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ারম্যান ও উৎসবের সভাপতি এইচ এম হাকিম আলী বলেন, “এই অর্জন আমাদের হোটেল, রিসোর্ট এবং পর্যটন পেশাজীবীদের নিষ্ঠা ও উৎকর্ষতার প্রতীক। এটি বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের পর্যটন গন্তব্যগুলোর আন্তর্জাতিক অবস্থান ও সক্ষমতাকে আরও সুদৃঢ় করবে।”
