উত্তর ২৪ পরগনা জেলা পরিষদে ঢুকে সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামীর ঘরে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল। অভিযুক্তদের দলে ৪০ থেকে ৫০ জন ছিল বলে জানা গিয়েছে। সোমবার দুপুরে সভাধিপতি অনুপস্থিত থাকাকালীন তাঁর ঘরের আলমারির পাল্লা ভেঙে নথিপত্র ছড়িয়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। শোকেসের জিনিসপত্রও ফেলে দেওয়া হয়। ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। এই বিষয়ে জেলাশাসকের সঙ্গে কথা বলবেন বলে জানিয়েছেন নারায়ণ গোস্বামী।
অভিযোগ, সভাধিপতিকে খুঁজতে জেলা পরিষদে ঢুকেছিল ওই দল। তিনি অফিসে নেই জানতে পেরেও তাঁরা ফিরে যাননি। বরং কর্মীদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন। এরপর সভাধিপতির ঘরে ঢুকে আলমারির পাল্লায় লাথি মেরে ভেঙে দেওয়া হয়। ঘরের জিনিসপত্রও তছনছ করা হয়। কী কারণে ওই দল জেলা পরিষদে এসেছিল, কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সরকারি দপ্তরে ঢুকে এমন ভাঙচুরের অভিযোগে প্রশ্ন উঠেছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও।
সভাধিপতি নারায়ণ গোস্বামী বলেন, “আমি ছিলাম না। কারা অফিসে ঢুকে এই কাণ্ড ঘটিয়েছে জানি না। এটি নিয়ে ডিএম-সহ সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলব।”
উল্লেখ্য, নারায়ণ গোস্বামী তৃণমূলের প্রাক্তন বিধায়ক। কয়েকদিন আগে তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ডিম হামলা চালানো হয়। এরপর তিনি ঘোষণা করেছিলেন, তিনি জেলা পরিষদের সভাধিপতির দায়িত্ব ছেড়ে দেবেন। কিন্তু বর্তমান সময় পর্যন্ত তিনি এই পদেই রয়েছেন। সোমবার তাঁর অনুপস্থিতিতে তাঁর অফিস লন্ডভন্ড হওয়ার ঘটনায় উদ্বিগ্ন নারায়ণ।
