নিজস্ব প্রতিবেদক অক্টোবর ২১, ২০২৬ ১:১৬ পূর্বাহ্ণ
আজ বিজয়া দশমী। ঢাকের শেষ ছন্দ, সিঁদুরের রাঙা আভা আর বিদায়ের সুর-সব মিলিয়ে উৎসবের শেষ দিনে আনন্দের পাশাপাশি বিষাদের আবহ পূজামণ্ডপগুলোতে। পাঁচ দিনের পূজা-অর্চনা ও নানা আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ বুধবার বিজয়া দশমীর মধ্য দিয়ে বিদায় নেবেন দেবী দুর্গা। এদিন পূজা, সিঁদুর খেলা ও মিষ্টিমুখের পর সন্ধ্যায় প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড়ো ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা।
গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হয় পাঁচ দিনব্যাপী এ উৎসব। গত রবিবার মহাসপ্তমী, সোমবার মহাষ্টমী এবং মঙ্গলবার মহানবমীর পূজা অনুষ্ঠিত হয়। আজ বুধবার বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।
ধর্মীয় বিশ্বাস ও প্রচলিত শাস্ত্রীয় রীতি অনুযায়ী, এবার দেবী দুর্গার আগমন হয়েছে ঘোটকে (ঘোড়া) এবং গমন করছেন নৌকায়। দেবীর আগমন ও গমনকে ঘিরে ভক্তদের মধ্যে রয়েছে নানা ধর্মীয় বিশ্বাস ও ব্যাখ্যা।
এ বছর খুলনা জেলায় মোট ৮৮৭টি এবং খুলনা মহানগরে ৭৬টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা উদ্যাপিত হচ্ছে। মহানগরে ছয়টি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জনের আয়োজন করা হয়েছে।
বিজয়া দশমীর দিন বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঘট বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে দশমীর আনুষ্ঠানিকতা। এরপর দিনব্যাপী চলবে পূজা-অর্চনা, মিষ্টিমুখ ও সিঁদুর খেলা। বিবাহিত নারীরা পরস্পরকে সিঁদুর পরিয়ে দেবী দুর্গার কাছে মঙ্গল কামনা করবেন। উৎসবের এ আনুষ্ঠানিকতার মধ্য দিয়ে ভক্তরা দেবীকে বিদায় জানাবেন।
মহানগর পূজা উদ্যাপন পরিষদের সভাপতি প্রশান্ত কুমার কুন্ডু বলেন, বুধবার সকাল ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে ঘট বিসর্জনের মধ্য দিয়ে বিজয়া দশমীর আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। এরপর দিনব্যাপী বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান চলবে। সন্ধ্যার পর মহানগরের ছয়টি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে শেষ হবে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।
প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে দেবী দুর্গাকে বিদায় জানাচ্ছেন ভক্তরা। আগামী বছর আবারও দেবীর আগমনের প্রত্যাশা নিয়ে শেষ হচ্ছে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব।
খুলনা গেজেট/এএজে
