মোংলা প্রতিনিধি অক্টোবর ২৩, ২০২৬ ১০:৫৫ অপরাহ্ণ
খুলনা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হবে। এতে প্রমাণিত হয় সরকার পরিবেশবান্ধব নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণে আন্তরিক। পাঁচ বছরে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের টার্গেট নির্ধারণ করেছে সরকার। সৌর বিদ্যুৎ স্থাপনে সাধারণ মানুষের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ২০৩০ সালের মধ্যে ২০ শতাংশ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে ৩০ শতাংশ নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকারের ভবন, স্কুল—কলেজের ভবনসহ সকল সরকারি ভবনে সৌর প্যানেল স্থাপনের জন্য ইতোমধ্যে নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) বেলা ৩টায় মোংলার নারিকেলতলা মাঠে দ্রুত নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের দাবিতে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।
‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ শীর্ষক স্লোগানে ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা), ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশ ও পশুর রিভার ওয়াটার কিপারের আয়োজনে এ জনসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সচিব ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়কারী শরীফ জামিল।
বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন খ্যাতিমান গবেষক শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মীর মোহাম্মদ আলী, রিভার বাংলা সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ, মোংলা পৌর বিএনপি’র সভাপতি সাবেক পৌর মেয়র মোঃ জুলফিকার আলী, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আব্দুল মান্নান হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক আবু হোসেন পনি, শ্রমিক নেতা মাহবুবুর রহমান মানিক, কৃষক নেতা বদরুল আলম, সুন্দরবন ও উপকূল সুরক্ষা আন্দোলনের নিখিল চন্দ্র ভদ্র, সচেতন ফাউন্ডেশনের মোঃ হাবিবুর রহমান, মিশনগ্রীন বাংলাদেশের আহসান রনি, হাওর অঞ্চলবাসীর জাকিয়া শিশির, কসমস সংস্থার মেহনাজ মালা, ব্রাইটার্স’র সাইদুর রহমান সিয়াম, বেঙ্গল পিস ফাউন্ডেশন’র মাসফিকুল হাসান টনি, ক্লাইমেট ফ্রন্টিয়ার’র জুবায়ের ইসলাম এবং ওয়েব ফাউন্ডেশন’র আসাদুজ্জামান তুহিন।
সঞ্চালনা করেন সুন্দরবন রক্ষায় আমরা’র সমন্বয়কারী পশুর রিভার ওয়াটারকিপার মোঃ নূর আলম শেখ।
কেসিসি প্রশাসক আরো বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে পারলে আমদানি নির্ভরতা কমবে। বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। এতে জ্বালানি নিরাপত্তার পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতের আর্থিক চাপ কমিয়ে আনা সম্ভব হবে।
খুলনা গেজেট/এএজে
