সিলেটের কানাইঘাটে ফ্যামিলি কার্ডের জন্য মাঠপর্যায়ে তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিকভাবে উপজেলার ৩টি ইউনিয়ন—দিঘীরপাড়, সাতবাঁক ও সদর ইউনিয়নে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার সব ইউনিয়ন ও পৌরসভায় তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা প্রশাসন ও সমাজসেবা কার্যালয়ের উদ্যোগে তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের নিয়ে অবহিতকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তাঁদের মধ্যে ট্যাব বিতরণ করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সুমাইয়া ফেরদৌসের সভাপতিত্বে এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. জিলানীর সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য দেন কানাইঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম, উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি নুরুল হোসেন বুলবুল, উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাজ উদ্দিন সাজু, পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের সভাপতি নিজাম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সফিক আহমদ, যুগ্ম আহ্বায়ক বদরুল আলম মেম্বার, কানাইঘাট প্রেসক্লাবের কোষাধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম ও উপজেলা ছাত্রদলের সদস্যসচিব রাসেল চৌধুরী। এ ছাড়া মাঠপর্যায়ের কয়েকজন সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারী বক্তব্য দেন।
সভায় ইউএনও সুমাইয়া ফেরদৌস বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্প। এ কার্যক্রমের আওতায় প্রতিটি পরিবারের সঠিক তথ্য সংগ্রহ নিশ্চিত করতে হবে। এ জন্য সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। কাজে অবহেলা বা গাফিলতি করলে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেন।
তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে তিনটি ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহ শুরু হয়েছে। শিগগিরই উপজেলার অন্য ইউনিয়ন ও পৌরসভায়ও এ কার্যক্রম শুরু হবে। তথ্য সংগ্রহের আগে সংশ্লিষ্ট এলাকার মানুষকে এ বিষয়ে অবহিত করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ফ্যামিলি কার্ড কার্যক্রম বাস্তবায়নে রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি, গণ্যমান্য ব্যক্তি ও সাংবাদিকদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
সভায় উপস্থিত বিএনপি নেতৃবৃন্দ তথ্য সংগ্রহকারীদের সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তাঁরা বলেন, ফ্যামিলি কার্ড বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের অন্যতম প্রধান প্রকল্প। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তাঁরা।
সভা শেষে সুপারভাইজার ও তথ্য সংগ্রহকারীদের হাতে ট্যাবসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম তুলে দেওয়া হয়।
