রাড্ডার ঘটনা সারাদেশে যে দখলবাজির, চাদাবাজির কালচার চলছে এবং তাকে যে রাজনৈতিক প্রশয় দেওয়া হচ্ছে তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
রাড্ডা এমসিএইচএফপি সেন্টারে ভাঙচুরের ঘটনায় মদদদাতাদের গ্রেপ্তার না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম আরমানের সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি বলেন, আমি আগেও বলেছি আবারো বলছি, রাড্ডার ঘটনা ঢাকা-১৪ আসনের শুধুমাত্র মিরপুরের ঘটনা নয়, এটি সারা বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলার যে অবনতি হয়েছে তারই অংশ মাত্র।
রাড্ডার ঘটনা সারাদেশে যে দখলবাজির, চাদাবাজির কালচার চলছে এবং তাকে যে রাজনৈতিক প্রশয় দেওয়া হচ্ছে তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।
রাড্ডার ঘটনা আমাদের জন্য গুরত্বপূর্ণ এই জন্য, এই ঘটনাটি যদি সঠিকভাবে বিচার হয়, এর সাথে যারা জড়িত তাদেরকে যদি বিচারের আওতায় আনা যদি নিশ্চিত করা যায় তাহলে হয়তো সারা বাংলাদেশে যে চাঁদাবাজি, দখলবাজির যে নৈরাজ্যের একটি জোয়ার তৈরি হয়েছে সেটি হয়তো আমরা বিপরীত দিকে নিতে পারবো ইনশাআল্লাহ।
এই রাড্ডার ঘটনাটির পর সবচেয়ে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। তবে আমি সাংবাদিকদের ধন্যবাদ জানাতে চাই কেনোনা, তারা এই রাড্ডার ঘটনায় জড়িত যারা তাদের নাম ধরে সুনির্দিষ্ট করে রিপোর্ট করছে। অথচ আমাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মিরপুর জোন পুলিশ তাদেরকে খুঁজে পাচ্ছে না বলে জানাচ্ছে।
সর্বশেষ গতকাল দৈনিক প্রথম আলোতে সুনির্দিষ্ট নাম ধরে নিউজ এসেছে সেখানে, এই চক্র সক্রিয় তাই নয়, প্রক্যাশে সেখানে চাঁদাবাজি চলছে। এখনো চাঁদাবাজি চলার পরও তাহলে পুলিশ তাদেরকে কেনো খুঁজে পাই না।
এখানে আমি জনগনের পক্ষ থেকে আপনাদের মাধ্যমে ৭ দিনের সময় দিতে চাই, এই সময়ের মধ্যে যদি চিহ্নিত সন্ত্রাসী পাতেল, লেলিন, হানিফ, রাসেল ও শুভ্রদের যদি ধরতে না পারে তাহলে এই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপরে আমাদের আর আস্থা নেই।
আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, ৭ দিনের মধ্যে যদি চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে না পারে তাহলে আমরা সরকারের কাছে আবেদন করবো, এই তদন্ত ভার মিরপুর জোন থেকে সরিয়ে কেন্দ্রীয় কোনো বাহিনীর হাতে হস্তান্তর করতে হবে।
সুনির্দিষ্ট ভাবে সাংবাদিকরা খুঁজে পাচ্ছে চাঁদাবাজি হচ্ছে, জনগণ সাক্ষী দিচ্ছে চাঁদাবাজি হচ্ছে, সবই নির্বিঘ্নে হচ্ছে, শুধু আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাদেরকে খুঁজে পাচ্ছে না। এই অথর্ব আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিয়ে আমাদের জনগনের নিরাপত্তা দেওয়া সম্ভব নয়। আমাদের জনগনের নিরাপত্তার জন্য তাদের কাছে আস্থা রাখতে পারি না।
আমরা ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিচ্ছি, এর মধ্যে চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার করতে হবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য মাহফুজুর রহমান, মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য আলাউদ্দিন সোহেল,জি এম হাফিজুর রহমান প্রমুখ।
