The Sangbad · দেশ
হুতিদের হামলার আশঙ্কা, কর্মীদের সৌদি ছাড়ার নির্দেশ যুক্তরাষ্ট্রের
২২/১০/২০২৬

সৌদি আরবে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে দেশটিতে কর্মরত অজরুরি সরকারি কর্মী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের চলে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি আরবের বেসামরিক বিমানবন্দর ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোয় সাম্প্রতিক প্রাণঘাতী হামলার পর নিরাপত্তা নিয়ে তীব্র উদ্বেগের মধ্যে ওয়াশিংটন এই বড় পদক্ষেপ নিল।বার্তা সংস্থা আল–জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে যুক্তরাষ্ট্রের এই সিদ্ধান্তের কথা জানান।স্থানীয় সময় বুধবার (২১ অক্টোবর) দেওয়া ওই পোস্টে টমি পিগট বলেন, ‘ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে ক্রমাগত শত্রুতামূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে। এর মধ্যে বেসামরিক বিমানবন্দর ও অন্যান্য জরুরি অবকাঠামোয় হামলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক মানুষ হতাহত হয়েছেন এবং যাতায়াতব্যবস্থায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে।’তিনি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের কর্মী ও তাদের পরিবারের সুরক্ষাই ওয়াশিংটনের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং তাঁদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ বজায় রাখা হবে।এদিকে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে যুক্তরাষ্ট্রের চারজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সৌদির পাশাপাশি উপসাগরীয় অঞ্চলের অন্যান্য দেশে অবস্থিত মার্কিন মিশনগুলো থেকেও কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ জারি করা হতে পারে।এর আগে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরুর পর মার্কিন স্থাপনায় হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্থান থেকে কূটনীতিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তাঁদের কয়েকজনকে ফিরিয়ে আনা হলেও ইয়েমেনে চলমান সংঘাত তীব্র হওয়ায় আঞ্চলিক এই সংকট নতুন মাত্রা পেল। এই সংঘাতের ফলে জ্বালানি বাণিজ্যে বিঘ্ন ঘটছে এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।উল্লেখ্য, দাম্মাম ও রিয়াদের বিমানবন্দরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হুতিদের সাম্প্রতিক ধারাবাহিক হামলার পর বুধবার রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস থেকে সৌদি আরবে অবস্থানরত মার্কিন নাগরিকদের উদ্দেশ্যে বিশেষ নিরাপত্তা সতর্কতাও জারি করা হয়েছে।/
মূল প্রতিবেদনে যান ↗