প্রেমের ফাঁদে ফেলে বাংলাদেশ থেকে ১৪ বছরের কিশোরীকে চোরাপথে এদেশে নিয়ে আসা হয়েছিল। এরপর ওই নাবালিকাকে যৌন নির্যাতন করা হয়। শুধু তাই নয়, এক নিষিদ্ধপল্লিতে বিক্রিও করে দেওয়া হয় তাকে! পুলিশ তদন্তে নেমে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করে। চারজনকে ওই ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়। সেই মামলা ওঠে বারাসত আদালতে। এদিন চারজনকে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিল আদালত।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন মিজানুর গাজি, রুবি আক্তার ওরফে প্রিয়াঙ্কা ঘোষ ওরফে দিয়া খান, সমীর রায় ওরফে দীপক এবং স্বপন পুই ওরফে বাপি। আদালত সূত্রে খবর, ঘটনাটি ২০২৪ সালের। ওই বছর ১৬ এপ্রিল মিজানুরের সাহায্যে সীমান্তরক্ষীদের নজর এড়িয়ে ওই নাবালিকাকে এপারে নিয়ে আসা হয়েছিল। অভিযোগ, এরপর ওই কিশোরীকে আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। এরপর তাকে একটি নিষিদ্ধপল্লিতে বিক্রি করে দেওয়া হয়েছিল।
বাংলাদেশ হাই কমিশনারের মাধ্যমে ওই বিষয়টি ভারতীয় দূতাবাসের নজরে আসে। কলকাতার বাগুইআটি থানায় স্বতঃপ্রণোদিত মামলা রুজু করে পুলিশ। তদন্তে নেমে ওই কিশোরীকে উদ্ধার করা হয়। একে একে চার অভিযুক্তকেও গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। সমাজমাধ্যমে পরিচয়ের সূত্র ধরে ওই কিশোরীকে ফুসলিয়ে ভারতে নিয়ে আসা হয়েছিল, বলে জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছিল। বারাসত আদালতে শুরু হয় মামলা। আজ, সোমবার সেই মামলাতেই অভিযুক্তদের দোষী সাব্যস্ত করে ওই সাজা শোনানো হল। বিশেষ পকসো আদালতের বিচারক দোষীদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন। নির্যাতিতাকে ৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
