হিন্দু ধর্মে বিবাহিতা মহিলার চিহ্ন হল শাঁখা ও সিঁদুর। স্বামীর মঙ্গল কামনায় বছরের পর বছর এই চিহ্ন বহন করে চলেছেন মেয়েরা। একটা সময়ে বিচ্ছেদের পরও মহিলাদের সিঁথিতে দেখা যেত সিঁদুর। তবে এখন সময় বদলেছে। বিচ্ছেদের পর প্রাক্তনের চিহ্ন বয়ে বেড়ান না কেউই। খাতায় কলমে প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে ডিভোর্স না হলেও এই এখন দ্বিতীয় স্ত্রীর সঙ্গে চুটিয়ে সংসার করছেন অভিনেতা হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এদিকে দশমীতে দেবী বরণের সময় একেবারে সাবেকি রূপে ধরা দিয়েছেন হিরণের প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা। তাঁর মাথার সিঁদুর তুলে দিয়েছে নানা প্রশ্ন। কারও দাবি, এখনও স্বামীর ঘরে ফেরার অপেক্ষায় তিনি। সত্যিই কি তাই? সিঁদুর পরার কারণ এবার নিজেই জানালেন অনিন্দিতা।
ব্যাপারটা ঠিক কী? সিঁদুর পরার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে অনিন্দিতা বলেন, “আমার কাছে সিঁদুর মানে শুধু দাম্পত্য পরিচয় নয়। লাল রং মানে শক্তি। যা মনোবল বাড়ায়। দশমীর দিনে সিঁদুরখেলার একটা অন্য মাহাত্ম্য রয়েছে। একে অপরের গালে সিঁদুর ছোঁয়ালে যেন বলা হয়, পাশে আছি।” তাঁর সিঁদুরখেলা নিয়ে এত চর্চায় বেজায় বিরক্ত অনিন্দিতা। যদিও এসবকে একেবারেই গুরুত্ব দিতে নারাজ তিনি।
উল্লেখ্য, ২০০০ সালে অনিন্দিতার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন অভিনেতা-বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। পরবর্তীকালে সিনেমার জগতে প্রবেশ করেন। তবে দীর্ঘদিন স্ত্রী-সন্তানের কথা গোপনই রেখেছিলেন তিনি। এসবের মাঝে চলতি বছরের শুরুতে সোশাল মিডিয়ায় নিজের দ্বিতীয় বিয়ের একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেন খোদ হিরণ। তারপর থেকেই তাঁকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয় নেটপাড়ায়। এরপরই জানা যায়,প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে আইনি বিচ্ছেদ না করেই দ্বিতীয়বার বিয়ে সেরেছেন নেতা-অভিনেতা হিরণ। বারাণসীর হিরণের দ্বিতীয় স্ত্রী ঋত্বিকা গিরি পেশায় মডেল। এই বিয়ে নিয়ে চরমে উঠেছিল অশান্তি। জল গড়িয়েছিল থানা পর্যন্ত। তবে ঋত্বিকার হাত ছাড়েননি নায়ক। এই মুহূর্তে সুখে সংসার করছেন তাঁরা। এদিকে অনিন্দিতার সঙ্গে চলছে বিচ্ছেদের মামলা।
