ছবির ক্যাপশন: .
আসিফ চৌধুরী, বিশেষ সংবাদদাতা :
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনা, মিছিল ও নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে সাবেক চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার এসআই (নিরস্ত্র) মনির হোসেন বাদী হয়ে গত রোববার সন্ত্রাস বিরোধী আইনে মামলাটি করেন। সোমবার ৮ জুন থানা সূত্রে ঢাকার কণ্ঠকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জুন ৬ দফা দাবি নিয়ে কদমতলী গোলচত্বরে আসামিরা গোপনে জড়ো হন। সেখানে তারা সরকারবিরোধী ষড়যন্ত্র, জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি ও জননিরাপত্তা বিঘ্নিত করার পরিকল্পনা করছিলেন। পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আসামিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে ১০টি বাঁশের লাঠি ও ২০টি ভাঙা ইটের টুকরা জব্দ করা হয়।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- কদমতলী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান শাহিন আহমেদ ৫২, দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি আল হাসান তন্ময় ৩০, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা মৎসজীবী লীগের সভাপতি রানা মোল্লা ৪৫, কামরাঙ্গীরচর থানা ছাত্রলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক স্বপ্নিল হাসান কাজল, কেরানীগঞ্জ মডেল থানা কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনির হোসেন, জিনজিরা ইউনিয়ন যুবলীগের প্রচার সম্পাদক মো. সাইমন উদ্দিন, ঢাকা জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. ইয়ামিন ৪০, কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য হাবিবুর রহমান ৫, বাস্তা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহব্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম ৪৮, রিয়াদ হোসেন শাওন ৩২, কোন্ডা ইউনিয়ন শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক ফজলু রহমান ৪৮, শুভাঢ্যা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবকলীগের সদস্য গিয়াস উদ্দিন মাসুদ ৩৫, ০২ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাওন হোসেন ৩২ ও তেঘরিয়া ইউনিয়ন ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম ৩০। এছাড়া মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও অনেকে আসামি করা হয়েছে।
দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানা সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তদন্ত চলছে। প্রাথমিক তদন্তে সন্ত্রাস বিরোধী আইন ২০০৯ এর ৬, ১০ ও ১৩ ধারায় অপরাধের সত্যতা পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি বলেন, তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
