
হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র ও মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা
দক্ষিণ এশিয়ার একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজননক্ষেত্র উন্নয়ন ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে অংশীজনদের অংশগ্রহণে খাগড়াছড়ির মানিকছড়িতে উদ্বুদ্ধকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) সকালে উপজেলার যোগ্যাছোলা ইউনিয়ন পরিষদ মিলনায়তনে হালদা নদীর প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (২ পর্যায়) এর অর্থায়নে মানিকছড়ি উপজেলা মৎস্য দপ্তর এই কর্মশালার আয়োজন করে। এতে হালদার উজান যোগ্যাছোলা ও আশপাশের অর্ধশতাধিক কৃষক, মৎস্যচাষি, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেয়।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি জেলা মৎস্য অধিদপ্তরের সিনিয়র সহকারী পরিচালক ড. সুমন বড়ুয়া। এতে অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা রিপন হোসেন, সমাজসেবা কর্মকর্তা আবদুর রাশেদ, সহকারী জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আবদুর রহমান রাব্বী, পিডিবিএফের সহকারী প্রকল্প পরিচালক হুমায়ুন কবীর, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি জামাল উদ্দিন সরকার, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি ও সাংবাদিক আবদুল মান্নান, যোগ্যাছোলা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবদুল মান্নান, বাজার পরিচালনা কমিটির সভাপতি ইঞ্জি. এম. আমিরুল ইসলাম রকি ও উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের ক্ষেত্র সহকারী মিলন কৃষ্ণ চাকমা।
বক্তব্যে বক্তারা বলেন, হালদা নদীর গুরুত্ব এখনো হালদা পাড়ের মানুষেরাও বুঝে উঠেনি! ফলে তাঁরা হালদা নদীতে বর্জ্য ফেলা, অবাদে বালু উত্তোলন করা, কারেন্ট জাল ও বিষ প্রয়োগ এবং বাঁধ নির্মাণ করে মাছ ধরে! এছাড়া নদীর পাড়ের প্রান্তিক কৃষকেরা তাঁদের চাষাবাদে কৃষিবিদের সহায়তার বদলে ডিলার শলাপরামর্শে মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহারের ফলে হালদা নদীর পানি দূষিত করছে! এতে জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে চরম বাধা বা বিপত্তি ডেকে আনছে। তাই হালদার জীববৈচিত্র্য রক্ষা ও উন্নয়নে হালদা পাড়ের জনগণকে আরো সচেতন হওয়া জরুরী।
