সৌদিতে হুতি হামলায় নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পরিচয়, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যেভাবে লড়তে চায় ইন্ডিয়া ব্লক, ছাদবাগান ও আঙিনায় ড্রাগনের মিনি রাজ্য হানিফের...আরো খবর এখানে।
https://p.dw.com/p/5O8zP
বিজ্ঞাপন
আপনার যা জানা দরকার
- সৌদিতে হুতি হামলায় নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পরিচয়
- জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যেভাবে লড়তে চায় ইন্ডিয়া ব্লক
- ছাদবাগান ও আঙিনায় ড্রাগনের মিনি রাজ্য হানিফের
১২ অক্টোবর ২০২৬
সৌদিতে হুতি হামলায় নিহত ও আহত বাংলাদেশিদের পরিচয়
সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে কিং খালেদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি হামলায় দুজন বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আরো ২৪ বাংলাদেশি। ডিডাব্লিউর কনটেন্ট পার্টনার প্রথম আলো জানাচ্ছে, এই হুতি হামলায় বাংলাদেশি হতাহতদের পরিচয় জানা গেছে।
পররাষ্ট্র এবং প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত দুজন হলেন মো. শাহেদ আহম্মদ ও মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরি।
শাহেদের বাড়ি বগুড়ার শাহজাহানপুর উপজেলার মাদলা গ্রামে। তাঁর বাবার নাম মো. রফিকুল ইসলাম ও মায়ের নাম শাহেরা বেগম। তিনি সৌদি আরবের একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের জেদ্দা প্রকল্পে প্লাম্বার হিসেবে কাজ করতেন।
আর নাসরুল্লাহর বাড়ি কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বদপুর গ্রামে। তার বাবার নাম মোহাম্মদ উল্লাহ ও মায়ের নাম জাহানারা বেগম। তিনি ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন।
রিয়াদে বাংলাদেশ দূতাবাসের বরাতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, হামলায় আহত ২৪ বাংলাদেশির মধ্যে ১১ জন সৌদি আরবে কর্মরত এবং ১৩ জন ওমরাহ ভিসায় দেশটিতে যাওয়া ব্যক্তি।
কিং আবদুল্লাহ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যাকেন্দ্রে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন তিন বাংলাদেশি হলেন হাফেজ হাসান, কাজী নুরুল্লাহ ও মো. ওমর ফারুক। রিয়াদ ন্যাশনাল গার্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন দুজন হলেন সাফফাত রহমান ও মো. দাউদুল ইসলাম। এদের মধ্যে সাফফাত অচেতন অবস্থায় আছেন। রিয়াদ মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন মো. সাইদুল ইসলাম সৌরভ ও আবুল মনসুর মো. রিয়াজ উদ্দীন। কিং ফাহাদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিন বাংলাদেশি হলেন—ইসমাইল হোসেন, মো. মিসবাহ উদ্দীন হীরা ও মো. রায়হানুল ইসলাম। প্রিন্স মোহাম্মদ বিন আব্দুল আজিজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন পাঁচ বাংলাদেশি হলেন—সালমা আক্তার, মো. শাহাদাত হোসেন, মোশাহাদ আহমেদ সৈকত, জাহিদ আহমেদ ও সোবেহ সাদেক মো. শাহজাহান সরকার। এছাড়া আরো চারটি হাসপাতালে বাংলাদেশিরা চিকিৎসাধীন আছেন।
জিএইচ/এসজি(প্রথম আলো)
https://p.dw.com/p/5O8zQ
১২ অক্টোবর ২০২৬
জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে যেভাবে লড়তে চায় ইন্ডিয়া ব্লক

ভারতে বিরোধী ইন্ডিয়া ব্লক মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমে এবং আইনি পথে লড়তে চায়। কংগ্রেস নেতৃত্ব দিল্লিতেই আছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও দিল্লিতে। সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব ও আরজেডি-র তেজস্বী যাদবের সোমবার দিল্লি এসে পৌঁছানোর কথা। ইন্ডিয়া ব্লকের দলগুলি রাস্তায় নেমে প্রতিবাদের পথে হাঁটতে চায়।
একই সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও দুই নির্বাচন কমিশনারকে আইনি রক্ষাকবচ বা লিগাল ইমিউনিটি দেওয়ার বিরুদ্ধে ইন্ডিয়া ব্লক সুপ্রিম কোর্টে আইনি লড়াই করারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে একটি বিবৃতিতে বলেছেন, ''২০২৩ সালে আইন পাস করে মোদী সরকার মুখ্য ও অন্য দুই নির্বূাচন কমিশনারকে আইনি রক্ষাকবচ দিয়েছেন। এই রক্ষাকবচ রাষ্ট্রপতি বা প্রধান বিচারপতিরও নেই। তাহলে কেন এই রক্ষাকবচ মুখ্য নির্বাচন কমিশনার ও অন্য দুই কমিশনারকে দেওয়া হবে?'' তার দাবি, ''ভোট চুরি করার জন্যই এই কাজ করা হয়েছে।''
জিএইচ/এসজি(এএনআই, কংগ্রেসের বিবৃতি)
https://p.dw.com/p/5O8zf
১২ অক্টোবর ২০২৬
ছাদবাগান ও আঙিনায় ড্রাগনের মিনি রাজ্য হানিফের

ইউটিউব থেকে শিখে ২০২৪ সালে বাড়ির ছাদবাগান, বাড়ির আঙিনা ও জমি ইজারা নিয়ে ড্রাগন ফলের আবাদ করেন বিদেশ ফেরত মো. আবু হানিফ (৬২)। ডিডাব্লিউর কনটেন্ট পার্টনার প্রথম আলো জানাচ্ছে, পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে ড্রাগন বিক্রি করে বছরে তিনি এখন লক্ষাধিক টাকা আয় করছেন। এতে তার সংসারে এসেছে সচ্ছলতা।
স্থানীয় বাজারে হানিফের ড্রাগনের চাহিদাও বেশ। আশপাশের উপজেলায়ও যাচ্ছে তার ড্রাগন। বাড়ির ছাদ ও বাড়ির আঙিনায় করা তার ড্রাগনের বাগান আকর্ষণ করছে স্থানীয়দের। এ যেন এক টুকরো ‘ড্রাগনের রাজ্য’। আশপাশের অনেকের কাছেই তিনি ‘ড্রাগন হানিফ’ নামেও পরিচিত।
হানিফের বাড়ি চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার লুধুয়া গ্রামে। ওই গ্রামের হাজি মো. সুলতান আহম্মেদ প্রধানের ছেলে তিনি। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি বড়। তিনি দুই ছেলের বাবা। মতলব দক্ষিণ উপজেলার মধ্য কলাদী এলাকায় তার একতলা বাড়ি। ওই বাড়ির ছাদে ও বাড়ির আঙিনায় ড্রাগন ফলের বাগান রয়েছে তার। উপজেলার পৈলপাড়া এলাকায়ও জমি ইজারা নিয়ে ড্রাগন ফলের আবাদ করেছেন এ মৌসুমে।
হানিফের ড্রাগনের বাগান নিয়ে কথা হয় মতলব দক্ষিণ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ চৈতন্য পালের সঙ্গে। তিনি বলেন, বয়সকে হার মানিয়ে ওই ব্যক্তি যেভাবে একক প্রচেষ্টায় তার ছাদবাগান ও আঙিনায় ড্রাগনের ‘মিনি রাজ্য’ গড়ে তুলেছেন, তা তার অদম্য মনের পরিচায়ক। তিনি দৃষ্টান্ত। কৃষি কার্যালয় থেকে তাকে সার্বিকভাবে পরামর্শ দেওয়া হবে।
জিএইচ/এসজি(প্রথম আলো
https://p.dw.com/p/5O8zS
আরো পোস্ট দেখান
