গোসাইরহাটে ৫০ হাজার মিটার জাল জব্দ
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২৯ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->শরীয়তপুরের গোসাইরহাটে অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ করেছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার কুচাইপট্টি এলাকায় অভিযান চালানো হয়।
উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানায়, মা ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখা এবং ইলিশের উৎপাদন বাড়াতে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার ও বিক্রি বন্ধে অভিযান পরিচালনা করছে উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য বিভাগ।
বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে উপজেলার কুচাইপট্টি এলাকায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আলমগীর মৃধার মুদি দোকানে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দোকান থেকে ১২০ বান্ডিল নিষিদ্ধ জাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা জালের আনুমানিক বাজারমূল্য ১২ লাখ ৪০ হাজার টাকা। এ ঘটনায় দোকানি আলমগীর মৃধাকে তিনহাজার টাকা জরিমানা করা হয় ও পরে জালগুলো আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
এ ব্যাপারে গোসাইরহাট উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা আবুল কাশেম নিরব বলেন, ‘মা ইলিশ রক্ষায় নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার, বিক্রি ও মজুতের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। রাতে অভিযান চালিয়ে ৫০ হাজার মিটার নিষিদ্ধ জাল জব্দ শেষে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। ইলিশের প্রজনন মৌসুমে আইন অমান্য করে কেউ নিষিদ্ধ জাল বিক্রি বা মজুত করলে তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিধান মজুমদার অনি/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি বন্ধ
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২০ পিএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে টানা ৮ দিন ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে।
শুক্রবার (১৬ আক্টোবর) সপ্তাহিক ছুটি থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৮ দিন আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকবে।
তিনি বলেন, ‘আজ থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শুরু হবে। এজন্য আগামী শনিবার (২৪ অক্টোবর) থেকে পূর্বের মতো আমদানি-রপ্তানি শুরু হবে।’
এদিকে আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকলেও সরকারি ছুটি ছাড়া বন্দরের অন্যান্য কার্যক্রম স্বাভাবিক থাকবে ।
হিলি ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের অফিসার ইনর্চাজ জাকারিয়া হোসেন বলেন, ‘দুর্গাপূজা উপলক্ষে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও, দুই দেশের পাসপোর্ট যাত্রী পারাপার স্বাভাবিক থাকবে।’
এ ছাড়া আমরা সব পাসপোর্ট যাত্রীদের কাগজপত্র যাচাই-বাছাইপূর্বক দুই দেশে ভ্রমণের সহযোগিতা করে যাচ্ছি।
কুদ্দুস আলী খান/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
লক্ষ্মীপুরে ৭৮টি মণ্ডপে দূর্গাপূজার প্রস্তুতি
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৪ পিএম
লক্ষ্মীপুর জেলার চন্দ্রগঞ্জ বাজার সর্বজয়া মন্ডপে বর্ণিল সাজে সাজানো হয়েছে দূর্গা মন্ডপ। ছবি: খবরের কাগজ
-->লক্ষ্মীপুরের ৬টি উপজেলার ৭৮টি মণ্ডপে এবার শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে। মণ্ডপগুলোতে পূজা উদযাপনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। মণ্ডপগুলোর মধ্যে সদর উপজেলায় ১৮টি, চন্দ্রগঞ্জ উপজেলায় ১৫টি, রামগঞ্জ উপজেলায় ১৭টি, রায়পুর উপজেলায় ১৩টি, রামগতি উপজেলায় ১২টি এবং কমলনগর উপজেলায় ৩টি পূজামণ্ডপে এবার দুর্গোৎসব উদযাপিত হবে।
শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) থেকে শুরু হতে যাওয়া এ উৎসবকে ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিরাজ করছে আনন্দ ও উৎসাহের আমেজ।
পূজামণ্ডপ নির্মাণ, সাজসজ্জা ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। উৎসব নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ করতে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং পূঁজা উদযাপন কমিটিগুলো প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়েছে।
পূজা মণ্ডপগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিতে জেলা ও পুলিশ প্রশাসন তিন স্তরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। মণ্ডপগুলোতে পুলিশ আনসার ও গ্রাম পুলিশের পাশাপাশি মণ্ডপগুলোর নিজস্ব সেচ্ছাসেবক বাহিনী নিরাপত্তায় নিয়োজিত করা হয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপ এলাকায় সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। এ ছাড়া উর্ধ্বতন পুলিশ এবং এসএসবির একাধিক টহলটিম নিরাপত্তায় কাজ করছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ সুপার আবু তারেক।
চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা ইয়াসমীন নিপা জানান, শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপন করতে পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, গণমাধ্যমকর্মী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছেন। সভায় পূজার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
শারদীয় দুর্গা উৎসবের সার্বিক প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি স্বপন নাথ ও সাধারণ সম্পাদক শিমুল সাহা বলেন, ‘প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলগুলো মিলে আমরা একত্রে কাজ করছি। অতীতের মত এ জেলায় শান্তিপুর্ণভাবে পূজা সম্পন্ন হবে বলে আশাবাদী তারা।’
অপরদিকে বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের চন্দ্রগঞ্জ থানা শাখার সভাপতি শ্রী সমীর কর্মকারও একই ভাবে মতামত দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপনের জন্য আমাদের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে।’ এ সময় তিনি হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষের প্রতি শারদীয় শুভেচ্ছা জানান।
সমীর কর্মকার বলেন, ‘সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রেখে এবং অন্য সব ধর্মের প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের মাধ্যমে পূজার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।’ এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও তারা সন্তুষ্ট বলে জানান তিনি।
রফিকুল ইসলাম/তামান্না রুপা/
আরও পড়ুন
কুমিল্লায় জামায়াত নেতার গাড়ি ভাঙচুর, এবি পার্টি নেতাকে অব্যাহতি
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৫৩ এএম
আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৬ এএম
বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানী। ছবি: খবরের কাগজ
-->কুমিল্লা মহানগর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মাহবুবর রহমানের গাড়ি ভাঙচুরের ঘটনায় অভিযুক্ত আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) এবি পার্টির দপ্তর সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন রানার স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলাপরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না- সে বিষয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়ারও সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘দলীয় শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবি পার্টি কুমিল্লা মহানগর আহ্বায়ক জনাব গোলাম মোহাম্মদ সামদানীকে তার পদ থেকে সাময়িকভাবে অব্যাহতি দেওয়া হল। কেন তাকে দল থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হবেনা সেমর্মে অবিলম্বে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হবে।’
পরবর্তী সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তিনি এবি পার্টির নাম, পদবি বা প্রতীক ব্যবহার করে কোনো সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা কিংবা দলের পক্ষে কোনো বক্তব্য বা বিবৃতি দিতে পারবেন না। এ সময়ে তার কোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ডের দায় এবি পার্টি বহন করবে না। দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী অন্তর্র্বতীকালীন সময়ের জন্য কুমিল্লা মহানগর শাখা দলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক নির্ধারণ করবেন।
এবি পার্টি রাজনৈতিক শিষ্টাচার, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহনশীলতার রাজনীতিতে বিশ্বাসী। অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের অভ্যন্তরীণ বিরোধে যুক্ত হওয়া বা পক্ষাবলম্বন দলের নীতি ও আদর্শের পরিপন্থি। এ বিষয়ে দলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের সর্বোচ্চ সচেতনতা ও দায়িত্বশীলতার পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
এর আগে গত বুধবার সন্ধ্যায় কুমিল্লা নগরীর গাংচর এলাকায় মহানগর জামায়াতের কার্যালয়ের সামনে বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল মু. মাহবুবর রহমানের গাড়ি ভাঙচুর এবং ককটেলের বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এ ঘটনাকে প্রথমে মহানগর জামায়াতের আমীর নির্বাচনকে সামনে রেখে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ বলা হলেও পরে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, মহানগর এবি পার্টির আহবায়ক গোলাম সামদানীসহ কয়েকজন ব্যক্তি জামায়াত কার্যালয়ের সামনে আসেন।
এরপর সামদানী একাই জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মাহবুবর রহমানের গাড়ি ভাংচুর করতে থাকেন। পরে তাকে তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নিবৃত করেন।
ওই রাতেই এ ঘটনা নিয়ে কুমিল্লা মহানগর জামায়াতে ইসলামীর আমীর কাজী দ্বীন মোহাম্মদ এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচার হওয়া সংবাদ আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে বুধবার রাত ৭ টার দিকে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতে ইসলামী কার্যালয়ে পূর্ব নির্ধারিত একটি সভা চলছিল। এরই মধ্যে কিছু যুবক প্রোগ্রামে ঢুকে হইচই করে। এ সময় তারা শোর চিৎকার করে চলে যাওয়ার সময় আমাদের একটি গাড়ি ভাঙচুর করে। আমরা ঘটনা তদন্ত করে দেখছি। এর পিছনে কারা জড়িত বা তারা এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা কেন ঘটালো এসবের বিস্তারিত জেনে আমরা পুনরায় সংবাদ মাধ্যমকে অবহিত করব।’
জহির শান্ত/আজহার/
আরও পড়ুন
নেত্রকোনায় ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার
প্রকাশ: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৫৩ এএম
আপডেট: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৪৭ এএম
ছবি: সংগৃহীত
-->নেত্রকোনা সদর উপজেলার সিংহেরবাংলা ইউনিয়নের জঙ্গল থেকে রোকন মিয়া (৪০) নামে এক ইজিবাইক চালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) বিকেলে নেত্রকোনা মডেল থানা পুলিশ মরদেহটি উদ্ধার করে।
নিহত রোকন মিয়া সদর উপজেলার মদনপুর ইউনিয়নের গিটুরপাড়া গ্রামের হোসেন আলীর ছেলে। তিনি পরিবার নিয়ে জেলা শহরের কুরপাড় এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।
পুলিশ, নিহতের স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (১৪ অক্টোবর) রাতে রোকন মিয়া প্রতিদিনের মতো ইজিবাইক নিয়ে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) দুপুরে সিংহেরবাংলা ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের বুইদার জঙ্গল নামক স্থানে এক ব্যক্তির মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতের স্বজনেরা ঘটনাস্থলে গিয়ে রোকন মিয়ার পরিচয় শনাক্ত করেন। তবে তার ইজিবাইকটির কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নেত্রকোনা মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের হাত-পা ও মুখ স্কচটেপে পেঁচানো ছিল এবং চোখের কোণে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাকে হত্যার পর ইজিবাইকটি ছিনতাই করে নিয়ে গেছে।
ওসি আরও জানান, এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা ও মামলা করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তাররের চেষ্টা চলছে।
সঞ্জয় সরকার/অলি/
