২০ নভেম্বর অনুষ্ঠিত হবে বাচসাস নির্বাচন
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:১৮ পিএম
আপডেট: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩০ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতি (বাচসাস)-এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের নির্বাচন আগামী ২০ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে। গত ৮ অক্টোবর যৌথসভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বাচসাস-এর প্রধান নির্বাচন কমিশনার এরফানুল হক নাহিদ।
তিনি জানান, গত ৮ অক্টোবর বাচসাস নির্বাচন পরিচালনা কমিটির এক সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। দ্বিতীয় দফায় মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) যৌথসভায় চূড়ান্ত ভোটার তালিকা স্থানান্তর করা হয়। সভায় নির্বাচন কমিশনের অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এরফানুল হক নাহিদ বলেন, ‘বর্তমান কার্যনির্বাহী কমিটি যথাসময়ে আমাদের দায়িত্ব স্থানান্তর করেছে। এ জন্য কমিটিকে ধন্যবাদ। আমরা এই কমিটির সহযোগিতায় একটি সুষ্ঠু, সুন্দর ও উৎসবমুখর নির্বাচন উপহার দেওয়ার চেষ্টা করব।’
জমজমাট এবং উপভোগ্য নির্বাচন হবে বলে প্রত্যাশা করেন ২০২৪-২৬ মেয়াদের সভাপতি কামরুল হাসান দর্পণ ও সাধারণ সম্পাদক রাহাত সাইফুল। যৌথভাবে তারা বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে অনেকেই মুখিয়ে আছেন আগ্রহভরে। আমরা আশা করছি, সবার অংশগ্রহণে এবারও উৎসবমুখর একটি নির্বাচন হবে।’
এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাচসাস জানায়, আগামী ২০ নভেম্বর, শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত হবে এ নির্বাচন।
যৌথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বর্তমান কার্যনির্বাহী পরিষদের সহ-সাধারণ সম্পাদক আবু সুফিয়ান রতন, অর্থ সম্পাদক রুহুল সাখাওয়াত, দপ্তর সম্পাদক রুহুল আমিন ভূঁইয়া, নির্বাহী সদস্য সাজু আহমেদ প্রমুখ।
এবার বাচসাস’র প্রধান নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এরফানুল হক নাহিদ। কমিশনে আরও রয়েছেন জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ইমরুল শাহেদ, আমিনুল ইসলাম রাজু, হাফিজুর রহমান সুরুজ ও আবুল হোসেন মজুমদার।
আরও পড়ুন
পচিঁশ বছরের আক্ষেপ ঝেড়ে ফেললেন দিয়া মির্জা
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->কিছু সিনেমা মুক্তির সময় খুব বেশি সাড়া পায় না। সময়ের সঙ্গে সেগুলোই দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। দিয়া মির্জা ও আর মাধবন অভিনীত ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’ তেমনই একটি সিনেমা। মুক্তির ২৫ বছর পরও দর্শকের মনে রয়ে গেছে এই রোমান্টিক সিনেমার রেশ। তবে সিনেমাটির দুই তারকাকে আর একসঙ্গে পর্দায় দেখা যায়নি। এ নিয়ে আক্ষেপ প্রকাশ করেছেন দিয়া মির্জা।
২০০১ সালে মুক্তি পায় গৌতম মেনন পরিচালিত ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’। সিনেমাটিতে রিনা চরিত্রে অভিনয় করেন দিয়া। মাধবনের চরিত্রের নাম ছিল ম্যাডি। সাইফ আলী খানও অভিনয় করেছিলেন এতে। মুক্তির সময় বক্স অফিসে খুব একটা সাফল্য পায়নি সিনেমাটি। পরে টেলিভিশন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের সুবাদে তরুণ দর্শকের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এটি। প্রেমের গল্প ও গান সিনেমাটিকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছে।
সম্প্রতি সিনেমাটির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে ‘স্ক্রিন স্পটলাইট’ নামক একটি বিশেষ সাক্ষাৎকারে নিজের এই অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন দিয়া। তার কথায়, এত বছর পেরিয়ে গেলেও কোনো নির্মাতা তাকে আর মাধবনের সঙ্গে জুটি করে সিনেমায় নেওয়ার কথা ভাবেননি। বিষয়টিকে দুঃখজনক বলে মনে করেন তিনি।
দিয়া বলেন, ‘মাধবনের সঙ্গে আবার কাজ করতে চান তিনি। তবে সেটি ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’র দ্বিতীয় কিস্তি হতে হবে, এমন কোনো শর্ত নেই। প্রেমের গল্প হলে অন্য সিনেমাতেও একসঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী তিনি। দর্শক তাদের জুটিকে আবারও গ্রহণ করবেন বলে তার বিশ্বাস।’
মাধবনকে নিয়ে দিয়া জানান, ‘সময়ের সঙ্গে দুজনই বদলেছেন। অভিনয়জীবনে আরও অভিজ্ঞ হয়েছেন তারা। এখন আবার একসঙ্গে পর্দায় কাজ করলে অভিজ্ঞতাটি হবে অন্য রকম। মাধবনের অভিনয় ও ব্যক্তিত্বেরও প্রশংসা করেছেন তিনি।
দিয়ার অভিনয়জীবনের শুরুতেই গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিয়েছিল ‘রেহনা হ্যায় তেরে দিল মে’। সিনেমাটি তাকে নতুন পরিচিতি দেয়। এত বছর পরও দর্শকের ভালোবাসা পাচ্ছে এটি। তাই পুরোনো জুটিকে আবার পর্দায় দেখার আগ্রহও রয়ে গেছে ভক্তদের মধ্যে। এখন অপেক্ষা, কোনো নির্মাতা সেই সুযোগ তৈরি করেন কি না।
আরও পড়ুন
যে অভিনেত্রীর এক অন্তর্বাসের দাম ৬০০ কোটি টাকার উপরে
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->একটি অন্তর্বাসের দাম ৬০০ কোটি টাকারও বেশি! এমন দামি পোশাক পরেই র্যাম্পে হেঁটেছেন মার্কিন তারকা কাইলি জেনার। ভিক্টোরিয়াস সিক্রেটের ২০২৬ সালের ফ্যাশন শোতে তার পরনে ছিল প্রতিষ্ঠানটির বিখ্যাত ‘ফ্যান্টাসি ব্রা’। এর মূল্য ৫ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬১৮ কোটি ২৫ লাখ টাকা, ডলারের বিনিময় হার ১২৩ টাকা ৬৫ পয়সা ধরলে।
গত ১৮ অক্টোবর যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ার কালভার সিটিতে সনি পিকচার্স স্টুডিওতে অনুষ্ঠিত হয় ফ্যাশন শোটি। সেখানে বিশেষ এই পোশাকে র্যাম্পে হাঁটেন ২৯ বছর বয়সী কাইলি। পোশাকটির দাম ও নকশা নিয়ে তৈরি হয়েছে আলোচনা।
কাইলিকেই কেন বেছে নিল ভিক্টোরিয়াস সিক্রেট? এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান সৃজনশীল কর্মকর্তা অ্যাডাম সেলম্যান। ভোগ ম্যাগাজিনকে তিনি বলেন, কাইলির প্রভাব শুধু ফ্যাশন কিংবা টেলিভিশনের জগতে সীমাবদ্ধ নয়। জনপ্রিয় সংস্কৃতির নানা ক্ষেত্রেও তার উপস্থিতি রয়েছে। নিজের স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডল তৈরি করতে পেরেছেন তিনি। এ কারণেই অন্যদের চেয়ে কাইলিকে আলাদা মনে হয়েছে তাদের।
জানা যায়, ফ্যান্টাসি অন্তর্বাসটির মূল্য এত বেশি হওয়ার কারণ এর নকশা ও মূল্যবান রত্ন। এতে বসানো হয়েছে ৪ হাজার ৪১০টি প্রাকৃতিক হীরা। মাঝখানে রয়েছে ৭৫ দশমিক ৫৪ ক্যারেটের একটি হলুদ হীরা। এর আনুমানিক দাম ২ কোটি ২০ লাখ ডলার।
পোশাকটি তৈরিতে ১৫ জন কারুশিল্পী এক হাজার ঘণ্টারও বেশি সময় কাজ করেছেন। এর ওজন চার পাউন্ডের সামান্য কম। বিলাসবহুল গয়না প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান জ্যাকব অ্যান্ড কোংয়ের সঙ্গে যৌথভাবে এটি তৈরি করেছে ভিক্টোরিয়াস সিক্রেট।
রিয়েলিটি শো ‘কিপিং আপ উইথ দ্য কারদাশিয়ানস’ দিয়ে পরিচিতি পান কাইলি। পরে গড়ে তোলেন নিজের প্রসাধনী প্রতিষ্ঠান কাইলি কসমেটিকস। ফ্যাশন, ব্যবসা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার জনপ্রিয়তা বিনোদনজগতের আলোচিত তারকাদের একজন করে তুলেছে তাকে।
আরও পড়ুন
আটকে গেল সোনাক্ষীর সিনেমা
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৩১ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->মুক্তির আগেই আইনি জটিলতায় পড়ল রাওয়াল পরিচালিত সোনাক্ষী সিনহা ও জাহির ইকবাল অভিনীত সিনেমা ‘তু হ্যায় মেরি কিরণ’। ২৩ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা ছিল সিনেমাটির। তবে বম্বে হাইকোর্টের নির্দেশে আপাতত অনিশ্চয়তায় পড়েছে এর বাণিজ্যিক মুক্তি।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইশেলন প্রোডাকশনসকে ৮ কোটি ৮৫ লাখ রুপি জমা দিতে হবে। এর সঙ্গে দিতে হবে বার্ষিক ১৫ শতাংশ হারে সুদ। সহপ্রযোজক অ্যান্ড মুভি প্রোডাক্টস এলএলপির বিনিয়োগ সুরক্ষিত করতেই এই নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। বিচারপতি অমিত বোরকারের একক বেঞ্চ ১৯ অক্টোবর এ আদেশ দেন।
বিরোধের সূত্রপাত সহপ্রযোজনা চুক্তি নিয়ে। ২০২৪ সালের ২৭ মার্চ দুই প্রতিষ্ঠানের মধ্যে চুক্তি হয়। সিনেমাটির বাজেট ধরা হয়েছিল ১৫ কোটি রুপি, সঙ্গে কর। দুই পক্ষের ৭ কোটি ৫০ লাখ রুপি করে বিনিয়োগ করার কথা ছিল। অ্যান্ড মুভি প্রোডাক্টসের দাবি, তারা করসহ ৮ কোটি ৮৫ লাখ রুপি বিনিয়োগ করেছে। চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেই অর্থ ফেরত পাওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি।
এ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয় প্রতিষ্ঠানটি। শুনানি শেষে আদালত জানিয়ে দেন, বিনিয়োগের অর্থ ও সুদের নিশ্চয়তা না দেওয়া পর্যন্ত সিনেমাটি বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি দেওয়া যাবে না। নির্দেশ অমান্য করলে মুক্তি আটকে থাকবে। অর্থ জমা দেওয়ার পাশাপাশি সিনেমার আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং বাণিজ্যিক চুক্তির তথ্যও প্রকাশ করতে হবে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানকে।
আদালত অবশ্য সিনেমাটির মুক্তি স্থায়ীভাবে বন্ধ করতে চাননি। প্রযোজনায় যুক্ত পক্ষগুলোর বিনিয়োগ ও স্বার্থ সুরক্ষিত রেখেই মুক্তির পথ খোলা রাখার কথা বলেছেন। এখন প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান আদালতের শর্ত পূরণ করতে পারে কি না, তার ওপর নির্ভর করছে সিনেমাটির মুক্তির ভবিষ্যৎ।
আরও পড়ুন
টাইগার শ্রফ-এর বিপদে ছুটে গেলেন পুরনো প্রেমিকা
প্রকাশ: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ পিএম
ছবি: সংগৃহীত
-->প্রেমের সম্পর্ক শেষ হয়েছে। বদলে গেছে জীবনের সমীকরণ। তবু পুরোনো সম্পর্কের টান কি এত সহজে মুছে যায়? বলিউড অভিনেতা টাইগার শ্রফকে ঘিরে আতঙ্কের খবরের পর এই প্রশ্নই সামনে এসেছে। তাকে দেখতে ছুটে গেছেন সাবেক প্রেমিকা দিশা পাটানি। দুজনের সম্পর্ক এখন কোন জায়গায়, তা নিয়ে মুখ খোলেননি কেউ। তবে দিশার এই উপস্থিতি নজর কেড়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত ১৮ অক্টোবর মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় টাইগারের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালায় দুর্বৃত্তরা। ফুটবল খেলে ফেরার পথে ঘটে এ ঘটনা। হামলায় টাইগার আহত হননি। তবে তার গাড়িচালকসহ দুজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘিরে বলিউডে উদ্বেগ ছড়ায়।
এর পরদিনই টাইগারের বাড়িতে দেখা যায় দিশাকে। পাপারাজ্জিদের ক্যামেরায় ধরা পড়ে তার সেখানে যাওয়ার দৃশ্য। কেন গিয়েছিলেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানা যায়নি। টাইগারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কি না, তা নিয়েও আনুষ্ঠানিক বক্তব্য নেই। তবে ঘটনার পর তার এই উপস্থিতি নিয়ে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
টাইগার ও দিশার সম্পর্ক নিয়ে একসময় কম চর্চা হয়নি। একসঙ্গে ঘোরাফেরা, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে উপস্থিতি আর পর্দার বাইরের ঘনিষ্ঠতা তাদের নিয়ে আগ্রহ বাড়িয়েছিল। যদিও সম্পর্কের বিষয়ে প্রকাশ্যে খুব বেশি কথা বলেননি তারা। পরে আলাদা হয়ে যাওয়ার খবর সামনে আসে।
বিচ্ছেদের পর দুজনের ব্যক্তিগত জীবন আলাদা পথে এগিয়েছে। কিন্তু বিপদের খবরের পর টাইগারের বাড়িতে দিশার উপস্থিতি পুরোনো সম্পর্কের প্রসঙ্গ ফিরিয়ে এনেছে। এটি নিছক সৌজন্য, নাকি পুরোনো টানের প্রকাশ, সেই উত্তর অজানা। আপাতত ভক্তরা তাদের নীরবতার মধ্যেই খুঁজে ফিরছেন নানা প্রশ্নের উত্তর।
