মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, দায়িত্বে আসার পর প্রধানমন্ত্রীর সুস্পষ্ট ঘোষণা ছিল সরকারের সব স্থাপনা বা সম্পদ যেন সঠিক ব্যবহারের আওতায় আনা হয়। হাসিনা আমলে স্থাপনার সম্পদগুলো পরিত্যক্ত ফেলে রেখে কিংবা বিক্রি করে দিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে শূন্য করে দেওয়ার চক্রান্ত ছিল। আমরা সেই জায়গা থেকে বেরিয়ে এসেছি।
মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠান ‘ইস্টার্ন কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’ এর ১০ একর সম্পত্তি ও পরিত্যক্ত কারখানা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, যেহেতু আমাদের সরকার একটি নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার, তাই মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট বা মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের সম্পত্তিগুলোর সদ্ব্যবহার করা হবে। এই ইস্টার্ন কেমিক্যালের ১০ একর জায়গা দীর্ঘদিন পরিত্যক্ত থাকায় রাষ্ট্রের অনেক ক্ষতি হয়েছে। রাষ্ট্রের এমন ক্ষতি আর হতে দেব না। এখানে বড় প্রজেক্টের মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করাই আমাদের উদ্দেশ্য। ঢাকায় গিয়ে আলোচনা করে এলাকার জন্য যেটা সর্বোত্তম, সেটাই আমরা করব।
পরিদর্শনকালে সফরসঙ্গী মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ইস্টার্ন কেমিক্যালের এই পরিত্যক্ত জায়গা ও কারখানা প্রজেক্টের মাধ্যমে কীভাবে কাজে লাগানো যায়, আমরা তা দেখছি। দুদিনের চট্টগ্রাম সফরে ট্রাস্টের অন্যান্য সম্পত্তিও আমরা একইভাবে সরেজমিনে পরিদর্শন করব।
পরিদর্শনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজমুল হাসান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
