কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থায় বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। রোববার সকাল ১১টার দিকে ভারতের কলকাতা থেকে তার মরদেহ বেনাপোল চেকপোস্টে এসে পৌঁছায়। ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস প্রক্রিয়া শেষে রোটনের মরদেহ গ্রহণ করেন তার বড় ভাই নাসিমুল হায়দার চৌধুরী মিল্টন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পুলিশ, বিজিবি ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এর আগে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সকাল থেকে বেনাপোল চেকপোস্ট ও সীমান্ত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরে ফুসফুসের ক্যান্সারে ভুগছিলেন মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন। সম্প্র্রতি শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে কলকাতার রুবি জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত শনিবার তিনি মারা যান। এর আগে ২০২৪ সালের ১৯শে আগস্ট পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার হরিদাসপুর স্থলবন্দর দিয়ে ভারতে প্রবেশ করেন রোটন। এরপর চিকিৎসার জন্য তিনি কলকাতায় অবস্থান করছিলেন। মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটনের গ্রামের বাড়ি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরা গ্রামে। ২০০৬ থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত তিনি নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।
