Published on
:
1 min read
এই সময়: নবরাত্রির সূচনায় ইলিনয়ের অরোরার শ্রীবেঙ্কটশ্বর স্বামী বালাজি মন্দিরে তখন প্রচুর পুণ্যার্থীদের ভিড়। তার মধ্যে সপরিবার ছিলেন ইলিনয়ের ডেমোক্র্যাট কংগ্রেসম্যান রাজা কৃষ্ণমূর্তি। কেউই তখন জানতেন না রাইফেল নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করে তাঁদের ঝাঁঝরা করে দেওয়ার জন্য আসছে ১৯ বছরের ‘হোয়াইট সুপ্রিমাসিস্ট’ তরুণ আলেকজা়ন্ড্রস পাপোরাকিস।
কিন্তু আততায়ীর এআর-১৫ রাইফেলটি জ্যাম হয়ে যাওয়ায় ছক ভেস্তে যায়। তড়িঘড়ি কেউ বুঝে ফেলার আগে পাপোরাকিস মন্দির চত্বর থেকে চলে যায়। এর মধ্যে তার মেসেজ ও ভিডিয়ো পেয়ে সহকর্মীরা পুলিশকে অ্যালার্ট করেন। পুলিশ তদন্তে জেনেছে লাল রংয়ের অ্যাকিউরা আরডিএক্স গাড়িটি মন্দির চত্বরে ঢুকতে দেখা যায় দুপুর ১২.২৫–এ। কিন্তু ১৫ মিনিট পরে সেটিকে চলে যেতে দেখা যায়।
গাড়িটি আলেকজা়ন্ড্রসের নামেই রেজিস্টার্ড। দুপুর দুটো নাগাদ ওই লাল গাড়িতে পাপোরাকিসকে একা বসে থাকতে দেখে পুলিশ। তখনই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এক সাক্ষাৎকারে কৃষ্ণমূর্তি বলেন, আমেরিকায় ‘ভারত-বিরোধী, ভারতীয় বংশোদ্ভূত এবং দক্ষিণ এশীয়দের প্রতি ঘৃণার’ মনোভাব থেকেই পাপোরাকিসের মতো অপরাধী তৈরি হচ্ছে। কৃষ্ণমূর্তির আরও অভিযোগ, ট্রাম্প প্রশাসনও এই বিদ্বেষের আগুনে ঘি ঢালছে। তাঁর কথায়, ‘প্রশাসন শিখ আমেরিকানদের উদ্দেশে একটি পোস্ট করেছিল, যেখানে বলা হয়েছিল—‘মিস্টার সিং, স্বেচ্ছায় দেশ ছেড়ে চলে যান, নইলে পরিণাম ভালো হবে না।’ এর এক সপ্তাহ পর সিং পদবির এক শিখ ট্রাকচালককে ছুরি দিয়ে ১৭ বার আঘাত করা হয়। অনলাইনে ছড়ানো এই বিদ্বেষ–বক্তব্য এখন হিংসার চেহারা নিচ্ছে।’
