যুদ্ধের কোপে পড়ে ধুঁকছে বিশ্বের প্রথম সারির বহু দেশ। তবে ভারতের অর্থনীতির অশ্বমেধের ঘোড়ার গতিতে বিশেষ রাশ পড়েনি। এবার সেই ইঙ্গিতই দিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা কোষ বা আইএফএফ। বর্তমান পরিস্থিতি বিচার করে আইএমএফের অনুমান, ২০২৬-২৭ অর্থাৎ চলতি অর্থবর্ষে ৭ শতাংশ হারে বাড়তে পারে ভারতের জিডিপি। ঘরোয়া চাহিদা বৃদ্ধি ও পরিষেবা খাতে উন্নতির জেরেই জিডিপির এই প্রবৃদ্ধি।
আইএমএফের তরফে ২০২৬ সালের অক্টোবরের ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। যখানে জুলাই মাসের জিডিপি বৃদ্ধির পূর্বাভাস ৬.৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ বৃদ্ধির পরিমাণ ০.৬ শতাংশ। এবং এপ্রিল মাসের তুলনায় যা ০.৫ শতাংশ বেশি। পাশাপাশি ২০২৬-২৭ অর্থনৈতিক বছরে জিডিপি বৃদ্ধির পরিমাণ বাড়িয়ে ৭ শতাংশ করা হয়েছে। অর্থাৎ জুলাইয়ের তুলনায় ০.৩ শতাংশ এবং এপ্রিলের তুলনায় ০.৫ শতাংশ বেশি। আইএমএফের মতে, ভারতের আভ্যন্তরীণ চাহিদা যথেষ্ট শক্তিশালী রয়েছে এবং পরিষেবা খাতও যথেষ্ট ভালো। অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়া সত্ত্বেও এই কারণগুলি ভারতের আর্থিক প্রব্রিদ্ধি বজায় রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ভারতের অর্থিক বৃদ্ধি বহাল থাকলেও বিশ্বের অর্থনীতি কিছুটা দুর্বল অবস্থায় থাকবে বলেই অনুমান আইএমএফের।
ভারতের অর্থিক বৃদ্ধি বহাল থাকলেও বিশ্বের অর্থনীতি কিছুটা দুর্বল অবস্থায় থাকবে বলেই অনুমান আইএমএফের। আইএমএফ-এর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হবে ৩.১ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৩.৪ শতাংশ। চিনের জিডিপি ২০২৬ সালে থাকবে ৪.৫ শতাংশ। এবং ২০২৭ সালে ৪ শতাংশ হবে বলে অনুমান করা হয়েছে। অন্যদিকে, উন্নয়নশীল এশীয় দেশগুলোর জিডিপি বৃদ্ধির হার ২০২৫ সালের ৫.৬ শতাংশ থেকে কমে ২০২৬ সালে ৫.১ শতাংশ এবং ২০২৭ সালে ৪.৯ শতাংশ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
The IMF (International Monetary Fund) projects India’s GDP growth at 7.0% for 2026 and 2027. IMF also says, “The global economy remains resilient, but that resilience is becoming more fragile and more uneven. Growth is projected at 3.1% in 2026 and 3.4% in 2027, while inflation is expected to reach 4.7%, driven largely by higher energy and food prices.”
— ANI (@ANI) October 13, 2026
আইএমএফের পূর্বাভাসে ভারতের জিডিপি বৃদ্ধির আশা করা হলেও, একটি বড় ঝুঁকিও রয়েছে। দাবি করা হচ্ছে, যদি অপরিশোধিত তেলের দাম বাড়তে থাকে, সেক্ষেত্রে দেশের আমদানির ব্যয় বাড়তে পারে এবং মুদ্রাস্ফীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে। এছাড়াও, বৈশ্বিক অনিশ্চয়তা, চাহিদা জিডিপি বৃদ্ধির এই সম্ভাবনাকে প্রভাবিত করতে পারে।
