Published on
:
1 min read
এই সময়, জলপাইগুড়ি: দেশ স্বাধীন হওয়ার ১৮ বছর আগের কথা। সে সময়ে মোহনলাল রায়, কুঞ্জবিহারী রায়, শ্রীরাম সিং, মনমোহন ঠাকুর–সহ এলাকার বিশিষ্টরা শুরু করেন পুজো। সামিয়ানা টাঙিয়ে চারপাশে মুলিবাঁশের বেড়া, রঙিন কাগজ ও কাপড় দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল মণ্ডপ। কালের নিয়মে এখন সেই পুজোয় লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া।
জলপাইগুড়ি শহরের বিগ বাজেটের দুর্গাপুজোর মধ্যে স্থান করেছে পান্ডাপাড়া সর্বজনীন। থিমের ছোঁয়ায় আর দশটা পুজো কমিটিকে টেক্কা দিয়ে সরকারি ভাবে প্রথম পুরস্কার ছিনিয়ে নিয়েছে অনেক বার। ৯৮তম বর্ষে এ বারের থিম ‘অরণ্য বাঁচাও’। আজ চতুর্থীতে জলপাইগুড়ি রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রমের মহারাজ স্বামী শিবপ্রেমানন্দজী মহারাজের হাত দিয়ে মণ্ডপের উদ্বোধন হবে।
পুজো কমিটির সম্পাদক সৌম্যজ্যোতি সেনগুপ্ত বলেন, ‘ছ’মাস আগে এলাকার বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে পুজোর থিম ঠিক করে কাজ শুরু হয় ১ সেপ্টেম্বর থেকে। বাঁশ, কাঠ, কাপড় ছাড়াও পরিবেশবান্ধব ফোম, টিস্যু পেপার দিয়ে মণ্ডপ তৈরি করছেন নবদ্বীপের লোকনাথ ডেকোরেটর। মূর্তি তৈরি করছেন জলপাইগুড়ির মৃৎশিল্পী মাধব শীল। আলোকসজ্জায় জলপাইগুড়ির সুজয় ইলেকক্ট্রিক।’
পুজো কমিটির বর্ষীয়ান সদস্য তথা প্রধান উপদেষ্টা প্রমথেশ নন্দী জানিয়েছেন, শুরুর দিকে ছিমছাম পুজো হলেও ১৯৭৩–য় থিম পুজোর শুরু। ১৯৭৫–এ আন্তর্জাতিক নারী বর্ষ থাকায় এলাকার মহিলাদের পুজোর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সম্পাদিকা ছিলেন প্রয়াত পুষ্প ভৌমিক। কমিটির বর্ষীয়ান সদস্য মাধব ঘোষ বলেন, ‘প্রবীণদের কাছে শুনেছি ১৯২৯–এ প্রথম পুজো করা হয়েছিল রায় বাড়িতে। সে সময় রাস্তায় বৈদ্যুতিক বাতি ছিল না। কাঁচা রাস্তা। প্রতিমা নিয়ে আসা হতো বাঁশের মাচায় কাঁধে করে। হ্যাজাকের আলো পথ দেখাত।’