সংবাদ · খেলাধুলা
টাইগার শ্রফের ওপর হামলার দায় স্বীকার বিষ্ণোই গ্যাংয়ের
১৯/১০/২০২৬

বলিউড অ্যাকশন তারকা টাইগার শ্রফকে লক্ষ্য করে মুম্বাইয়ের জুহু এলাকায় চাঞ্চল্যকর গুলির ঘটনার পর নতুন করে ভয়াবহ হুমকি দিয়েছে কুখ্যাত লরেন্স বিষ্ণোই গ্যাং। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বিতর্কিত পোস্টে অনিল পণ্ডিত ও হারমান সান্ধু নামের দুই ব্যক্তি এই হামলার পূর্ণ দায় স্বীকার করেছে।অবশ্য প্রকাশিত পোস্টটির সত্যতা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই করছে। পোস্টে বলা হয়েছে, হামলার পূর্বে ফোন করে সতর্ক করা সত্ত্বেও টাইগার শ্রফ বিষয়টি মোটেও গুরুত্ব দেননি। আর সেই কারণেই তাকে লক্ষ্য করে এমন সশস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি করা হয়।সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া ওই বার্তায় শুধু টাইগার শ্রফই নন, বরং পুরো হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পের অন্যান্য শিল্পী ও কলাকুশলীদের উদ্দেশ্যেও চরম হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।গ্যাংটির পক্ষ থেকে স্পষ্ট ভাষায় জানানো হয়, যারা তাদের নির্দেশ অমান্য করে সালমান খানের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যাবে, তাদের সবাইকে কঠিন পরিণতি ভোগ করতে হবে এবং মৃত্যু ছাড়া তাদের আর কোনো পথ খোলা থাকবে না। পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বী কোনো গ্যাং যেন এই ঘটনার মিথ্যা দায় দাবি না করে, সে বিষয়েও আগেভাগে সতর্ক করা হয়েছে।এদিকে চাঞ্চল্যকর এই হামলার নেপথ্যে কারা সরাসরি জড়িত, তা দ্রুত শনাক্ত করতে মুম্বাই পুলিশ জোরদার তদন্ত শুরু করেছে। অপরাধীদের ধরতে এবং ঘটনার বিস্তারিত রূপরেখা খতিয়ে দেখতে পুলিশের ১২টি বিশেষ দল বর্তমানে মাঠে কাজ করছে। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ এবং সন্দেহভাজনদের দ্রুত শনাক্ত করে ইতিমধ্যে তিনজনকে গ্রেফতারও করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।উল্লেখ্য, কারাগারে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোইয়ের সঙ্গে সালমান খানের এই চরম বিরোধের মূল সূত্রপাত ঘটেছিল ১৯৯৮ সালে রাজস্থানে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারের ঘটনাকে কেন্দ্র করে। বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের পবিত্র বলে বিবেচিত এই প্রাণীকে হত্যার অভিযোগে সালমানকে ক্ষমা চাইতে বলে ২০১৮ সালে প্রকাশ্যে তাকে খুনের হুমকি দেন লরেন্স।এর ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালে সালমানের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ রাজনীতিবিদ বাবা সিদ্দিকিকে গুলি করে হত্যা করা হয় এবং একই বছর মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় অভিনেতার বাসভবনেও এলোপাতাড়ি গুলি চালানো হয়েছিল।
মূল প্রতিবেদনে যান ↗