আজকাল ওয়েবডেস্ক: খাস কলকাতায় পুজো মণ্ডপেই মহাবিপর্যয়। সপ্তমীর সন্ধ্যায় চোরবাগান সর্বজনীনের পুজো মণ্ডপে প্রবল ভিড়ের চাপে নিহত ১৭ জন দর্শনার্থী। আহতের সংখ্যা ২৫ জন বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে আপাতত মণ্ডপে প্রবেশ বন্ধ করা হয়েছে।
কেন, কীভাবে ঘটল দুর্ঘটনা? তা নিয়ে বহু তথ্য ঘোরাফেরা করছে। তবে ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, মণ্ডপের ভিতরে পুজো উদ্যোক্তাদের একটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করেই বিপত্তির সূত্রপাত।
আজকাল ডট ইন-কে চোরবাগানের এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, "মণ্ডপে আগুন লেগেছে, এই ভুল তথ্য দর্শকদের মণ্ডপের মধ্যে উদ্যোক্তারা দিয়েছিলেন। ফলে হুড়োহুড়ি লেগে গিয়েছিল। তাতেই বিপর্যয় ঘটে গেল। মানুষের প্রাণহানি হল।" আরেক প্রত্যদর্শীর কথায়, "ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর পুজো কমিটির কাউকে দেখা যায়নি। স্থানীয়রাই আহতদের উদ্ধার করেছে। কোনওক্রমে মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চোখে না দেখলে এই বীভৎস ঘটনা আন্দাজ করা যাবে না।"
মর্মান্তিক এই ঘটনা সামনে আসতেই মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছে যান। তদারকি করেন আহতদের চিকিৎসার। তাঁরও দাবি, "ক্লাবের পক্ষে মাইকে একটি ঘোষণাকে কেন্দ্রকে পুজোর মধ্যে এই পদপৃষ্টের মতো বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটল।" তিনি বলেন, "উত্তর কলকাতার চোরবাগান সর্বজনীনে আজকে সন্ধ্যাবেলা সাড়ে সাতটা আটটার দিকে অত্যন্ত মর্মান্তিক, দুখঃজনক, বেদনাজনক ঘটনা ঘটেছে। এখনও অবধি ১৭ জন মৃত. ২৫ জন আহত। এদের মধ্যে ১-২ জন সঙ্কটজনক। আমরা সুচিকিৎসার ব্যবস্থা নিচ্ছি। ক্লাবের পক্ষে মাইকে একটি ঘোষণাকে কেন্দ্রকে এই পদপৃষ্টের মতো বেদনাদায়ক ঘটনা পুজোর মধ্যে ঘটল।"
