পুজোয় মন খারাপ না করে উৎসবে মেতে উঠুনছবি: আইস্টক
Published on
:
2 min read
উৎসব মানে আনন্দ-উল্লাস। কিন্তু এই আনন্দ সবার মধ্যে থাকে না। বিশেষত যাঁরা পুজোর দিনে বাড়ি থেকে দূরে রয়েছে। কর্মক্ষেত্রে ছুটি মেলেনি। তাই এ বছর বাড়ি ফেরা হলো না। এই মন খারাপের তুলনা কোনও কিছুর সঙ্গেই হয় না। তবু নিজেকে ভালো রাখার চেষ্টা করতেই হবে। আর সেটা কী ভাবে করবেন? রইল টিপস।
ডিজিটাল ডিটক্স করুন
সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকুন। বাড়ি, শহর থেকে দূরে রয়েছে। তাই মোবাইলের স্ক্রিনে যখনই বন্ধু-আত্মীয়দের প্যান্ডেল হপিং বা আনন্দ করার ছবি দেখবেন, মন খারাপ হবে। একাকিত্ব আরও বেশি করে জাঁকিয়ে বসবে। তাই সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করুন।
একা থাকবেন না
পুজোর উইকএন্ডে ঘরে বসে থাকবেন না। যে শহরে রয়েছেন, সেখান থেকে আশপাশের কোনও টুরিস্ট স্পটে ঘুরতে যেতে পারেন। সেখানে যদি বন্ধু-বান্ধব থাকে, তা হলে একসঙ্গে আড্ডা দিন কিংবা একসঙ্গে কোথাও ঘুরতে যান। তা হলে বাড়ি আর পুজোর কথা ভেবে কম মন খারাপ হবে। এ ছাড়া আপনি নিজের বাড়িতেই পুজো উপলক্ষে বন্ধুদের আমন্ত্রণ জানান এবং ভূরিভোজ ও আড্ডার আয়োজন করুন।
খুঁজে নিন পুজো প্যান্ডেল
বিশ্বের বিভিন্ন শহরে দুর্গাপুজো ও নবরাত্রি পালন হয়। যে শহরে রয়েছেন, তার আশপাশে কোথাও পুজো হচ্ছে কি না, খোঁজ নিন। সেখানে যান এবং সবার সঙ্গে উৎসবে মেতে উঠুন। সেখানকার যে বাঙালি কমিউনিটি রয়েছে, তাদের সঙ্গে কথা বলে ভলেন্টিয়ারের কাজ করুন। এতে পুজোর কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়বেন এবং কম মন খারাপ হবে।
FAQ
১. পুজোয় বাড়ি ফিরতে না পারলে মন ভালো রাখবেন কী ভাবে?
বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান, ঘুরতে যান এবং নিজের পছন্দের কাজে মন দিন।
২. পুজোর সময়ে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে থাকা জরুরি কেন?
পরিচিতদের উৎসবের ছবি দেখে বাড়ি ফেরার অভাব আরও বেশি অনুভূত হতে পারে। তাই কিছু সময় সোশ্যাল মিডিয়া থেকে বিরতি নিলে উপকার হতে পারে।
৩. অন্য শহরে থেকেও কী ভাবে দুর্গাপুজোয় অংশ নেওয়া যায়?
নিজের শহরের কাছাকাছি দুর্গাপুজোর মণ্ডপ খুঁজে সেখানে গিয়ে উৎসবে যোগ দিতে পারেন।
৪. পুজোর সময়ে একাকিত্ব কমানোর উপায় কী?
বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন, একসঙ্গে ঘুরতে যান অথবা বাড়িতে ছোটখাটো আয়োজন করুন।
৫. পুজোর মণ্ডপে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করলে কী লাভ?
পুজোর কাজে যুক্ত হলে ব্যস্ত থাকা যায়, নতুন মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয় এবং উৎসবের সঙ্গে মানসিকভাবে যুক্ত থাকা সহজ হয়।
