রাজধানীর উত্তরার আজমপুরে বেতন বাড়ানোর দাবিতে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা।
এতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের এক পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে মহাসড়ক ও আশপাশের সড়কে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। পরে বেলা দেড়টার দিকে সড়ক ছেড়ে দেন আন্দোলনরত শ্রমিকেরা।
এর আগে, বেলা সোয়া ১টার দিকে উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মু. আল আমিন সরকার জানান, শ্রমিকদের সঙ্গে আলোচনা করে সড়কের একটি অংশ যান চলাচলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। তবে বিমানবন্দর গোলচত্বর এলাকায় অনেকে অবস্থান নিয়েছেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে পুলিশ কাজ করছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে শ্রমিকেরা আজমপুর এলাকায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
সকাল থেকেই বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা সেখানে জড়ো হতে থাকেন। পরে তারা সড়কে অবস্থান নিলে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বেতন বাড়ানোর দাবিতে তারা এ কর্মসূচি পালন করছেন। বিভিন্ন কারখানার শ্রমিকেরা একত্র হয়ে সড়ক অবরোধ করায় মহাসড়কে যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হয়। যানজট ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের সড়কেও।
অবরোধের কারণে গণপরিবহনে আটকা পড়েন অনেক যাত্রী। নির্ধারিত সময়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে না পেরে কেউ কেউ বাস থেকে নেমে হেঁটেই রওনা হন। এতে কর্মস্থলগামী মানুষ ও জরুরি প্রয়োজনে বের হওয়া যাত্রীরা ব্যাপক দুর্ভোগে পড়েন।
এর আগে গত সোমবার (১২ অক্টোবর) উত্তরার আজমপুর এলাকায় ন্যূনতম মাসিক বেতন ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছিলেন পোশাকশ্রমিকেরা। সেদিন দক্ষিণখানের বিভিন্ন পোশাক কারখানার শত শত শ্রমিকের বিক্ষোভে মহাসড়কের এক পাশে যান চলাচল ব্যাহত হয়।
ওই দিন উত্তরা বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার কে এইচ এম এরশাদ জানান, পুলিশ শ্রমিকদের সঙ্গে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। প্রায় এক ঘণ্টা পর শ্রমিকেরা সড়ক ছেড়ে কাজে ফিরে যান।
