Published on
:
2 min read
এই সময়, পাঁশকুড়া
রাজ্যে পালাবদলের পরে প্রথম দুর্গাপুজো। সেই পুজোতেই স্টল গিয়ে বই বিক্রিতে রেকর্ড গড়ল শাসক দল বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রীর জেলায় বই বিক্রির নিরিখে তারা প্রথম স্থানে রয়েছে বলে দাবি পদ্ম শিবিরের। তৃণমূল এ বার জেলায় কোনও বুকস্টল দেয়নি। স্টল ভাঙার অভিযোগের মধ্যেও এ বার পুজোয় তাদের স্টলেও বই বিক্রি ভালো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে সিপিএমের তরফে।
দীর্ঘদিন প্রথম স্থানে থাকা বামেদের বই বিক্রিকে এ বার ছাপিয়ে গিয়েছে বিজেপি। জানা গিয়েছে, দু’টি সাংগঠনিক জেলা মিলিয়ে এ বার দুর্গাপুজোয় ১৮০ টি স্টল দিয়েছিল বিজেপি। সমস্ত স্টলেই ক্রেতাদের ব্যাপক ভিড় দেখা গিয়েছে। সূত্রের খবর, পূর্ব মেদিনীপুরে বিজেপি ৫ লক্ষ টাকারও বেশি বই বিক্রি করেছে পুজোয়। যদিও এখনও চূড়ান্ত রিপোর্ট আসেনি। টাকার অঙ্ক আরও বাড়বে বলে আশা গেরুয়া শিবিরের। সব থেকে বেশি বিক্রি হয়েছে প্রশাসক হিসেবে নরেন্দ্র মোদীর ২৫ বছর পূর্তি সংক্রান্ত বই এবং শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জীবনী।
দলের তমলুক সাংগঠনিক জেলা সভাপতি মলয় সিনহা বলেন, ‘গতবারের তুলনায় এ বার পুজোয় আমাদের জেলায় বই বিক্রি তিনগুণ বেড়েছে। প্রতিটি জায়গায় আমাদের স্টলে ব্যাপক ভিড় হয়েছিল।’
শাসক দলের ভয়ে এ বার জেলায় তৃণমূল বুকস্টল দিতে পারেনি বলে দাবি প্রাক্তন মন্ত্রী অখিল গিরির। তিনি বলেন, ‘পুলিশ প্রশাসন এবং বিজেপির ভয়ে দলের কর্মীরা একটু পিছিয়ে রয়েছেন। তাই এ বার জেলায় আমাদের কোনও বুকস্টল দেওয়া হয়নি।’ হলদিয়া ও তমলুক মহকুমায় এ বার ৫৫ টি অস্থায়ী এবং ১২ টি ভ্রাম্যমাণ বুকস্টলের ব্যবস্থা করেছিল এসইউসি। স্টলগুলি থেকে ২ লক্ষেরও বেশি টাকার বই বিক্রি হয়েছে বলে দাবি বামেদের।
পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় এবার বামেদের বুকস্টল থেকে পুজোয় ৩ লক্ষ ৪২ হাজার টাকার বই বিক্রি হয়েছে বলে জানিয়েছে সিপিএম। সিপিএমের পূর্ব মেদিনীপুর জেলা কমিটির সদস্য নাজির হোসেন বলেন, ‘এ বার জেলায় আমাদের বই বিক্রি অনেক বেড়েছে। বোঝা যাচ্ছে মানুষ বামপন্থার প্রতি ঝুঁকছেন।’
