Published on
:
1 min read
বাস, ট্রেন কিংবা বিমানে উঠে প্রথমেই জানলার ধারের সিট খোঁজেন? এমনকী টিকিট কাটার সময় এর জন্য অনেক সময় অতিরিক্ত টাকা খরচ করতেও পিছপা হন না। কখনও ভেবে দেখেছেন, সাধারণ এই মনস্তত্ত্বের নেপথ্যে কী লুকিয়ে রয়েছে? মনোবিদরা বলছেন, যাতায়াতের সময় আপনি কোন সিটে বসতে পছন্দ করেন, তা আপনার ব্যক্তিত্ব, মানসিক গঠন এবং চিন্তাভাবনার অনেক লুকোনো দিক প্রকাশ করে। আসুন জেনে নেওয়া যাক, যাঁরা সবসময় জানলার ধারের আসন বেছে নেন, তাঁদের মধ্যে কী কী বিশেষ মানসিক বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
১. ব্যক্তিগত গণ্ডি
যাঁরা একটু অন্তর্মুখী স্বভাবের হন এবং নিজের ব্যক্তিগত জায়গার ব্যাপারে বেশি সচেতন, সাধারণত তাঁরাই জানলার সিট বেশি পছন্দ করেন। সহযাত্রীদের ভিড়ে বা হুড়োহুড়িতে অস্বস্তি বোধ করলে জানলার পাশের কোণটি তাঁদের মনে এক ধরনের সুরক্ষা ও স্বস্তির অনুভূতি দেয়।
২. পর্যবেক্ষণ করার ক্ষমতা
দুচোখ ভরে বাইরের দৃশ্য দেখা এবং চারপাশের পরিবেশকে পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পর্যবেক্ষণ করার সুপ্ত বাসনা অনেকের মনেই থাকে। ট্রেন বা প্লেনের জানলার বাইরে চোখ রেখে চারপাশের প্রকৃতিকে অনুভব করার মাধ্যমে তাঁরা এক ধরনের মানসিক শান্তি খুঁজে পান।
৩. নিজের ভাবনার জগতে হারিয়ে যাওয়া
দীর্ঘ যাত্রাপথে জানলার বাইরে ছুটে চলা গাছপালা, আকাশ বা মেঘের দিকে একদৃষ্টে তাকিয়ে থাকতে ভালোবাসেন অনেকেই। মনোবিদরা বলছেন, এই সময়টি তাঁদের জন্য একটি ‘মেন্টাল ব্রেক’ বা থেরাপির মতো কাজ করে। বাইরের গতিশীলতার বিপরীতে তাঁদের ভিতরের মননশীলতা ও চিন্তার জগৎ তখন সচল হয়ে ওঠে।
৪. ঝামেলা এড়িয়ে চলার মানসিকতা
প্যাসেজ বা যাতায়াতের পথের পাশে কিংবা মাঝের সিটে বসলে সহযাত্রীদের ওঠানামার কারণে বারবার নড়াচড়া করতে হয়। এটা বহু যাত্রীর মধ্যেই বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু জানলার ধারে বসা যাত্রীরা বারবার ওঠানামা বা অন্যের সঙ্গে অপ্রয়োজনীয় কথা বলা এড়িয়ে একটানা শান্তিতে নিজের মতো সময় কাটাতে পছন্দ করেন।