ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে রয়েছেন ৫৫ বছর বয়সী রিনা সরদার। নদীভাঙনে আগেও তাঁর বসতভিটা বিলীন হয়েছিল। পরে সরকারের দেওয়া একটি ঘরে বসবাস করছিলেন তিনি। এবার সেই ঘরের সামনের গোয়ালঘরটি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। বসতঘরটিও রয়েছে ভাঙনের ঝুঁকিতে।
কান্নাজড়িত কণ্ঠে রিনা সরদার বলেন, “আমার স্বামী অসুস্থ। হঠাৎ সকালে ঘরের সামনের গোয়ালঘরটি নদী নিয়ে গেছে। ঘরের পেছন দিয়েই বাঁধ ভেঙেছে। এখন আমার বসবাসের ঘরটাও ঝুঁকিতে।” অসহায়ত্ব প্রকাশ করে তিনি বলেন, “পাশে দাঁড়ানোর মতো কেউ নেই, এখন আমি কোথায় যাব?” তিলডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল উদ্দীন গাজী জানান, সকালে হঠাৎ বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় কয়েকটি পরিবার ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে আপাতত বালুভর্তি জিও ব্যাগ দিয়ে বাঁধ মেরামতের কাজ করা হচ্ছে।
খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মধুসূদন পাল বলেন, ভাঙনকবলিত স্থানে জিও ব্যাগ ও ব্লক ডাম্পিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি বালুভর্তি জিও টিউব ব্যবহার করে বাঁধ মেরামতের কাজও চলছে। নদীভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মধ্যে এখন নতুন করে বসতভিটা হারানোর আতঙ্ক বিরাজ করছে। দ্রুত বেড়িবাঁধ মেরামত ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না গেলে পরিস্থিতির আরও অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
The post দাকোপে ঢাকী নদীর ভাঙনে ৪০ মিটার বেড়িবাঁধ বিলীন, ক্ষতিগ্রস্ত ১৩ পরিবার appeared first on ভোরের চেতনা.
