এ ঘটনায় সুন্দরবন কুরিয়ার সার্ভিসের কাভার্ড ভ্যানচালক মো. আরাফাত প্রামাণিক নবাবগঞ্জ থানায় অজ্ঞাতনামা ১২ থেকে ১৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে।
দিনাজপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. আনোয়ার হোসেন, বিপিএম-সেবার সার্বিক দিকনির্দেশনায় এবং জেলা গোয়েন্দা শাখার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ আলমগীর, পিপিএমের নেতৃত্বে ডিবির একটি বিশেষ দল ঘটনার তদন্তে নামে। তদন্তের একপর্যায়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডাকাত দলের আট সদস্যকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতদের পরিচয় গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন ১. মো. শাকিল সরকার (২৬), পিতা মো. ফুলমিয়া সরকার, ভাজাকালাই (মহেশপুর), সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা। ২. মো. রুহুল আমিন (৩৫), পিতা মৃত চান মিয়া, ভাজাকালাই (জামালপুর), সাদুল্লাপুর, গাইবান্ধা। ৩. মো. রাশেদ মিয়া (৩০), পিতা মো. অঞ্জু মিয়া, হাসানপুর (কসাইপাড়া), পীরগঞ্জ, রংপুর। ৪. মো. রবিউল প্রধান ওরফে রুবেল (৩৫), পিতা মৃত মোখলেস প্রধান, হাসানপুর (জুম্মা পাড়া), পীরগঞ্জ, রংপুর। ৫. মো. সাজু মিয়া (৫৩), পিতা মো. সুলতান মিয়া, হাসানপুর উত্তর পাড়া, পীরগঞ্জ, রংপুর। ৬. মো. আরিফুল ইসলাম ওরফে চেয়ারম্যান (৪২), পিতা মো. সাইফুল ইসলাম, তরবমৌজা, পীরগঞ্জ, রংপুর। ৭. মো. শাহিন মিয়া (৩০), পিতা মো. সানোয়ার শেখ খোকন, নাসিরাবাদ কলোনী, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা। ৮. মো. মিরাজ মিয়া (২৬), পিতা মো. আ. জলিল প্রধান, হলদিবাড়ী প্রধানপাড়া, পীরগঞ্জ, রংপুর।
নবাবগঞ্জে সংঘটিত এ ডাকাতির ঘটনায় লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারের পাশাপাশি আন্তঃজেলা ডাকাত দলের আট সদস্যকে গ্রেপ্তারের মধ্য দিয়ে মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে কি না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পরবর্তী বক্তব্যের অপেক্ষা রয়েছে।
The post দিনাজপুরে ডাকাতির ঘটনায় মালামাল উদ্ধার, ডাকাত দলের ৮ সদস্য গ্রেপ্তার appeared first on ভোরের চেতনা.
