বলিউডের তারকাদম্পতি করীনা কপূর খান ও সইফ আলি খান। দু’জনের বয়সের ফারাক ১০ বছর। করীনার সঙ্গে বিয়ের বয়স ১৪। খুব অল্প বয়সে, প্রায় ১২ বছরের বড় অমৃতা সিংহের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন সইফ। যদিও সেই বিয়ে টেকেনি। তবে মাত্র ২০ বছর বয়সে প্রথম বার সন্তানের স্কুলে অভিভাবক-শিক্ষক বৈঠকে গিয়েছিলেন সইফ। ৫৫ বছর বয়সে এসেও সেই একই স্কুলে যেতে হচ্ছে তাঁকে!
সইফ-করীনার রসায়ন বেশ পছন্দ করে দর্শক। সম্প্রতি কৌতুকশিল্পী কপিল শর্মার অনুষ্ঠানে একসঙ্গে হাজির হয়েছিলেন তারকাদম্পতি। কথোপকথনের সময়, মজার গল্প শোনালেন সইফ। অভিনেতার কথা শুনে হাসতে শুরু করেন সকলে। কপিল প্রশ্ন করেন, সন্তানের অভিভাবক-শিক্ষক বৈঠকে সাধারণত কে যান? উত্তরে সইফ জানান, তাঁর চার সন্তানই একই স্কুলে পড়েন। বয়সের ব্যবধান থাকলেও, স্কুলের ঠিকানা বদলায়নি। ২০ বছর বয়সে সইফকে প্রথম বার সন্তানের জন্য স্কুলে যেতে হয়েছিল। ৩০ বছরেও যেতে হয়েছে। আবার ৫০ বছরেও সেই একই স্কুলে যেতে হয়।
মজা করে অভিনেতা যোগ করেন, এত বছরে শিক্ষকেরা বদলে গিয়েছেন। তবু তাঁকে এখনও সেই স্কুলে যেতে হচ্ছে অভিভাবক হিসাবে। সইফকে খোঁচা দিয়ে কপিল বলেন, “প্রতি দশকেই আপনার পরিবারে এক জন করে নতুন সদস্য এসেছে।” এ কথা শুনে করীনাও রসিকতা করতে ছাড়েননি। স্বামীকে প্রশ্ন করেন, এ বিষয়ে আগামী দিনে তাঁর পরিকল্পনা কী? সইফ কিছু বলার আগেই, জুটিকে অর্চনা পূরণ সিংহের প্রশ্ন, এই দশকেও তাঁদের পরিবারে নতুন সদস্য আসছে কি না। করীনার জবাব, “হতে পারে, তবে আমার সঙ্গে না!”
আরও পড়ুন:
অমৃতা ও সইফের দুই সন্তান। সারা আলি খান ও ইব্রাহিম আলি খান। ২০০৪ সালে বিবাহবিচ্ছেদ হয় তাঁদের। প্রায় বছর পাঁচেক প্রেমের পর, ২০১২ সালে করীনাকে বিয়ে করেন অভিনেতা। তাঁদের দুই পুত্র, তৈমুর আলি খান ও জহাঙ্গীর আলি খান।
