Published on
:
1 min read
এই সময়: ‘মমতা এআইটিসি’, নাকি ‘গণতান্ত্রিক টিএমসি’— তৃণমূলের বিবদমান দুই গোষ্ঠীর মধ্যে জোড়াফুল প্রতীকের ‘প্রকৃত অধিকার’ কোন পক্ষের হাতে যাবে, তা যাচাই করতে দু’পক্ষকেই আলাদা আলাদা ভাবে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে দেশের নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
এ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অনুগামী কালীঘাট শিবির এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের বিদ্রোহী শিবিরের মধ্যে টানাপড়েন চালাকালীনই কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলো ‘মমতা এআইটিসি’। আগামী সোমবার প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হওয়ার কথা। মামলায় কালীঘাট শিবিরের মূল অভিযোগ, ঋতব্রত–পন্থী তৃণমূলের পক্ষে ভোট জোগাড় করতে পুলিশকে কাজে লাগানো হচ্ছে।
কালীঘাট–পন্থী তৃণমূলের তরফে দায়ের করা এই জনস্বার্থ মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়েছে, ঋতব্রতদের তরফে সমর্থকদের হলফনামা জোগাড়ের জন্য পুলিশকে কাজে লাগাচ্ছে রাজ্যের শাসকদল বিজেপি। যে হেতু এই সংখ্যাগরিষ্ঠতার উপরে ভিত্তি করে তৃণমূলের লোগো কারা পাবে, তা নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশন, তাই জোর করে কালীঘাট–পন্থী তৃণমূলকে হারানোর জন্য শাসকদল নিজেদের ক্ষমতা ব্যবহার করছে।
এখন দেখার, হাইকোর্ট এই বিষয়ে কী পদক্ষেপ করে। বিজেপি–র এক শীর্ষ নেতা এই অভিযোগ উড়িয়ে দাবি করেছেন, ‘ঋত তৃণমূল বা মৃত তৃণমূল কাউকে নিয়েই বাংলার মানুষের কোনও আগ্রহ নেই। মানুষের রায়ে তৃণমূল ইতিমধ্যেই পরীক্ষিত ও পরিত্যক্ত।’
