প্রেমঘটিত বিবাদের জেরে উত্তপ্ত ক্যানিং। সিভিক ভলান্টিয়ারকে একা পেয়ে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল তরুণীর পরিবারের লোকজনদের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার ক্যানিং থানার নিকারিঘাটা গ্রাম পঞ্চায়েতের সাতমুখী বাজার এলাকায়। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এক তরুণীর সঙ্গে দুই যুবকের প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। সেই প্রেম নিয়েই শুক্রবার রাতে সাতমুখী বাজারে দুই যুবকের মধ্যে বচসা চরমে ওঠে। দুই যুবক বাজারে গণ্ডগোল শুরু করে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ ও কর্তব্যরত সিভিক ভলান্টিয়াররা। পুলিশ সাময়িকভাবে পরিস্থিতি সামাল দিয়ে দু’পক্ষকেই বুঝিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। অভিযোগ,শুক্রবারের ঘটনার পর শনিবার রাত প্রায় ৯টা নাগাদ সাতমুখী বাজারে ডিউটি করছিলেন সিভিক ভলান্টিয়ার ধীমান প্রামাণিক। সেই সময় তিনি একা থাকার সুযোগ নিয়ে ওই তরুণীর পরিবারের লোকজন আচমকা তাঁর উপর চড়াও হয়। তাঁকে ঘিরে ধরে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। পরে পুলিশ এবং স্থানীয়রা ছুটে এসে আক্রান্ত সিভিক ভলান্টিয়ারকে উদ্ধার করে। ক্যানিং মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁকে।
অন্যদিকে, এই ঘটনায় আক্রান্ত সিভিক ভলান্টিয়ার ধীমান প্রামাণিক ক্যানিং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি দোষীদের কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আক্রান্ত সিভিক ভলেন্টিয়ার ধীমান প্রামাণিক জানান, “দুই যুবকের সাথে ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে। সেই ঘটনা নিয়ে তাঁদের মধ্যে শুক্রবার বচসা হয়। পুলিশের উপস্থিতিতে মিটিয়ে দেওয়া হয়। শনিবার রাতে আমি সাতমুখী বাজারে গিয়েছিলাম। সেখানে আমাকে একা পেয়ে তরুণীর আত্মীয় সুজয় নস্কর,তপন নস্কর, জয়দীপ নস্কর, খোকন নস্কররা আমাকে আচমকা বেধড়ক মারধর করে। পুলিশ ও স্থানীয়রা আমাকে উদ্ধার করে।” শনিবার রাতেই ক্যানিং থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সিভিক ভলান্টিয়ার। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে ক্যানিং থানার পুলিশ।
