সোশ্যাল মিডিয়ায় কোনও তারকার ছোট্ট প্রতিক্রিয়াও কখনও কখনও আলোচনার কেন্দ্রে চলে আসে। সম্প্রতি গিনেস বিয়ার খেয়ে মার্ক জুকারবার্গের প্রতিক্রিয়া ঘিরে নেটদুনিয়ায় শুরু হয়েছে চর্চা। তবে শুধু তাঁর প্রতিক্রিয়াই নয়, এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আলোচনায় উঠে এসেছে আরও একটি প্রশ্ন—গিনেসের মতো জনপ্রিয় ডার্ক স্টাউট বিয়ারের স্বাদ কেন অনেকের কাছে প্রথমবারেই ভাল লাগে না?
গিনেস মূলত আয়ারল্যান্ডের বিখ্যাত স্টাউট বিয়ার। এর গাঢ় রং, ঘন ফেনা এবং ভাজা কফি ও ডার্ক চকোলেটের মতো স্বাদের বৈশিষ্ট্য একে অন্যান্য অনেক বিয়ার থেকে আলাদা করে। সাধারণত হালকা ও তুলনামূলক কম তেতো পানীয়ের স্বাদে অভ্যস্ত ব্যক্তিদের কাছে গিনেসের স্বাদ প্রথমে কিছুটা তীব্র বা অচেনা মনে হতে পারে।
কেন গিনেস বিয়ারের স্বাদ সবার পছন্দ হয় না?
গিনেসের স্বাদ বুঝতে গেলে তার তৈরির পদ্ধতি এবং উপাদান সম্পর্কে জানা প্রয়োজন। এই বিয়ার তৈরিতে ব্যবহৃত রোস্টেড বার্লি বা ভাজা যবের কারণে পানীয়টিতে কফির মতো গন্ধ, হালকা তেতো স্বাদ এবং পোড়া শস্যের বিশেষ বৈশিষ্ট্য তৈরি হয়। এর সঙ্গে থাকে মাল্টের মিষ্টি স্বাদের আভাস। ফলে এক চুমুকেই মিষ্টি, তেতো ও রোস্টেড স্বাদের মিশ্রণ পাওয়া যায়।
তেতো স্বাদের প্রভাব: গিনেসের স্বাদে তেতো ভাব রয়েছে। যাঁরা সাধারণত হালকা বা মিষ্টি স্বাদের পানীয় পছন্দ করেন, তাঁদের কাছে এই তেতো স্বাদ প্রথমে অস্বস্তিকর মনে হতে পারে।
কফি ও ডার্ক চকোলেটের মতো গন্ধ: গিনেসের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হল এর রোস্টেড অ্যারোমা। কফি বা ডার্ক চকোলেটের মতো এই গন্ধ ও স্বাদ সবার ভাল নাও লাগতে পারে।
ঘন ফেনা ও ক্রিমের মতো অনুভূতি: গিনেসের ঘন, মসৃণ ফেনা এবং মুখে পানীয়টির বিশেষ অনুভূতি অন্য অনেক বিয়ারের তুলনায় আলাদা।
একটি পডকাস্টে এসে গিনেস বিয়ারে চুমুক দেওয়ার পর জাকারবার্গের মুখের অভিব্যক্তি দেখে হাসি-ঠাট্টা শুরু করেন নেটিজেনদের একাংশ। কেউ তাঁর প্রতিক্রিয়াকে অস্বস্তির প্রকাশ বলে মনে করেছেন, আবার কেউ বলেছেন, গিনেসের স্বাদ সবার পছন্দ না হওয়াই স্বাভাবিক।
বিষয়টি নিয়ে জাকারবার্গও প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর মুখের অভিব্যক্তি নিয়ে আলোচনার জবাবে তিনি লেখেন, “That's just my face”—অর্থাৎ, তাঁর মুখের অভিব্যক্তি এমনই।
