Published on
:
1 min read
কুণাল বসু
হঠাৎই আবিষ্কার হয়েছে নতুন এক জাতের ফুল। সাদার উপরে নীলের ছোঁয়া ঠিক যেন আর্জেন্তিনার ফুটবল জার্সির মতো। ফুলটা আবার এনডেন্জার্ড, অর্থাৎ বিপন্ন। মানে, খুব বেশি সংখ্যায় যত্রতত্র দেখতে পাবেন না।
এই ফুলটির বৈজ্ঞানিক নামকরণ হয়েছে, সালবিয়া মেসি। আন্দিস পর্বতমালার যে অংশটি মধ্য ও দক্ষিণ পেরুতে অবস্থিত, সেই পাহাড়গুলির ঢালেই চোখে পড়ে এই ফুল।
তবে জীবজগতে মেসির নামে কোনও কিছুর নামকরণ এটাই প্রথম নয়। এর আগে প্যাটাগোনিয়ান মাকড়সা (আকান্থোগোন্যাটাস মেসি), এক ধরনের টিকটিকি (লিওলিমাস মেসি), আর্জেন্তিনার সালতা অঞ্চলের বারিতু ন্যাশনাল পার্কের একটি ছত্রাক (সের্কোপেমাইসেস মেসি), এমনকি প্রাগৈতিহাসিক পাখি (বুলতুর মেসি), প্রাগৈতিহাসিক সামুদ্রিক প্রাণীরও (দিসিনিস্কা মেসি) নামকরণ হয়েছে বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলারের নামে।
গবেষকরা কোনও নতুন প্রজাতির উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেখতে পেলে, তার বিজ্ঞানসম্মত নাম দেন। এ ক্ষেত্রে বিজ্ঞানীরা বেছে নিয়েছেন মেসির নাম। ২ অক্টোবর ফাইটোট্যাক্সা জার্নালের ৭৭৭তম ভলিউমে প্রকাশিত হয়েছে এই পেপারটি। গবেষণাপত্রের তিন বিজ্ঞানীর মধ্যে দু’জন পেরুর— পাউল গন্সালেস ও জিন–কাপচা রামোস। আর একজন আর্জেন্তিনার রোলান্দো উরিয়া। পুদিনা, রোজ়মেরি, ল্যাভেন্ডার যে গোষ্ঠীর গাছ, এই সালবিয়া মেসিও সেই ধরনের।
ফুলটার নীল–সাদা রঙ আর্জেন্তিনার জার্সির মতো বলেই তিন বিজ্ঞানী একমত হয়েছেন মেসির নামে ফুলটির নামকরণ করার। বায়োডাইভার্সিটি স্পেশালিস্ট বা জীববৈচিত্র্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, জনপ্রিয় ব্যক্তিত্বের নাম এ ভাবে কোনও জীবের নামকরণে ব্যবহার হলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে বিজ্ঞানের যোগ বাড়ে। আপাতত সত্যিই মেসিভক্তদের সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনায় জায়গা করে নিয়েছে সালবিয়া মেসি!
