বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দণ্ডপ্রাপ্ত এক সহযোগীকে ছাড়িয়ে আনতে যাওয়ার পথে বিদেশি পিস্তল, গুলিসহ মশিউল আজম ওরফে অরিন (৩৬) নামের এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার হয়েছেন। এ সময় তাঁর সহযোগী শান্ত ইসলামকেও (২৭) গ্রেপ্তার করা হয়।
শনিবার বিকেল পাঁচটার দিকে রাজধানীর মিরপুর ১১ নম্বর মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তার মশিউল তাঁর সহযোগীদের নিয়ে মিরপুর ১২ নম্বরের বিভিন্ন মার্কেট ও দোকানে উদ্ধার করা পিস্তলটির ভয় দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে আসছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে পল্লবী থানায় অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও মাদক আইনে মোট ৯টি মামলা রয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) হাসান মোহাম্মদ নাসের রিকাবদার প্রথম আলোকে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা দাবি করেন, গতকাল শুক্রবার মাদকসহ মশিউলের এক সহযোগীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে ডিএমপির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার কার্যালয়ে স্থাপিত বিশেষ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তাঁকে ১৫ দিনের কারাদণ্ড দিয়ে কারাগারে পাঠান। সেই সহযোগীকে ছাড়িয়ে নিতে শান্তর মোটরসাইকেলে চড়ে আদালতে যাচ্ছিলেন মশিউল।
পুলিশ কর্মকর্তা নাসের রিকাবদার আরও বলেন, মিরপুর ১১ নম্বরে তল্লাশিচৌকিতে পুলিশ মোটরসাইকেলটিকে থামার সংকেত দেয়। কিন্তু পুলিশের আদেশ অমান্য করে শান্ত দ্রুতগতিতে মশিউলকে নিয়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পরে পুলিশ তাঁদের আটক করে। উদ্ধার করা পিস্তলটির কোনো বৈধ লাইসেন্স নেই বলে মশিউল স্বীকার করেছেন। তাঁদের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় দুজনের বিরুদ্ধেই পল্লবী থানায় অস্ত্র আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।
২০২৫ সালেও অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্রসহ মশিউল গ্রেপ্তার হয়েছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। ওই ঘটনায় তখন তাঁর বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনের মামলা হয়।
