শারদীয় দুর্গোৎসবকে বরণ করে নিতে ঝালকাঠিতে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। কোথাও প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ করছেন কারিগররা, কোথাও চলছে মণ্ডপ সাজানো ও আলোকসজ্জা। উৎসবকে ঘিরে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে বিরাজ করছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস। এদিকে, দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণভাবে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করেছে প্রশাসন। এ বছর জেলায় ১৬০টি পূজামণ্ডপে দুর্গাপূজা উদ্যাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
জেলার বিভিন্ন এলাকার পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, দুর্গাদেবীর প্রতিমা নির্মাণ ও সাজসজ্জার কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। মণ্ডপগুলোকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলতে চলছে নানা আয়োজন। পূজার দিনগুলোতে দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করতে আলোকসজ্জাসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি নিচ্ছেন আয়োজকরা।
অন্যদিকে, উৎসবকে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে প্রশাসন। এ লক্ষ্যে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও পূজা উদ্যাপন পরিষদের সঙ্গে কয়েক দফা মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্ভাব্য অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ।
আগামী শুক্রবার সন্ধ্যার পর ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে দুর্গোৎসবের মূল আনুষ্ঠানিকতা। এরপর যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে পূজার অন্যান্য ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য, উৎসবমুখর পরিবেশ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্য দিয়ে দুর্গোৎসব সম্পন্ন হবে—এমন প্রত্যাশা আয়োজক ও স্থানীয় বাসিন্দাদের।
ঝালকাঠির পুলিশ সুপার মেরিন সুলতানা বলেন, দুর্গোৎসবকে কেন্দ্র করে জেলায় ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছে পুলিশ। প্রতিটি পূজামণ্ডপে দর্শনার্থীরা যাতে নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে পূজামণ্ডপগুলোতে নজরদারি করা হবে।#
