ফেসবুক লাইভ করে মুখ্যমন্ত্রীর (CM Suvendu Adhikari) উদ্দেশে একের পর এক লাগামহীন কুরুচিকর মন্তব্য! বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতে চুঁচুড়া থানার পুলিশ প্রৌঢ়কে গ্রেপ্তার করতেই তিনি নিজের দোষ কবুল করে জানিয়েছেন, মদ খেয়ে ওসব কথা তিনি বলে ফেলেছেন। তার জন্য দুঃখপ্রকাশও করেছেন। জানান, নিজে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন। তবে এসব বলেও কারাবাস থেকে রেহাই মিলবে না। শনিবার তাঁকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নিতে চায় পুলিশ। সাইবার অপরাধের আওতায় তাঁর শাস্তির সম্ভাবনা।
জানা গিয়েছে, হুগলির ব্যান্ডেলের হেমন্ত বসু কলোনির বাসিন্দা কার্তিক বণিক ওরফে বাবু। অভিযোগ, তিনি প্রায়শয়ই প্রকাশ্যে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নানা কুরুচিকর মন্তব্য করতেন। চায়ের দোকান, রাস্তায় এসব কথা শোনা যেত কার্তিকের মুখে। তা নিয়ে তাঁকে সাবধানও করেছিলেন প্রতিবেশীরা। সেসব কানে তোলেননি কার্তিক। এসবের মাঝে একদিন ফেসবুক লাইভ করেই মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করতে থাকেন। হুগলি বিজেপি সাংগঠনিক জেলার আইটি সেলের নেতা শাশ্বত বন্দ্যোপাধ্যায় কার্তিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন চুঁচুড়া থানায়।
প্রিজন ভ্যান থেকে নামার সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কেন তিনি মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে ফেসবুক লাইভে অশালীন মন্তব্য করেছেন? তার জবাবে কার্তিক বলেন, ‘‘মদ খেয়ে করে ফেলেছি। আমি কোনও রাজনৈতিক দল করি না, যুক্তও নই।” যদিও এলাকাবাসীর দাবি, কার্তিক আগে তৃণমূলকে সমর্থন করতেন।
এরপরই পুলিশ গিয়ে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে আসে। প্রিজন ভ্যান থেকে নামার সময় সাংবাদিকরা তাঁকে প্রশ্ন করেন, কেন তিনি মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশে ফেসবুক লাইভে অশালীন মন্তব্য করেছেন? তার জবাবে কার্তিক বলেন, ‘‘মদ খেয়ে করে ফেলেছি। আমি কোনও রাজনৈতিক দল করি না, যুক্তও নই।” যদিও এলাকাবাসীর দাবি, কার্তিক আগে তৃণমূলকে সমর্থন করতেন। পরে অবশ্য কোনও দলের পক্ষে তাঁকে কিছু বলতে শোনা যায়নি। তবে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করতেন।
হুগলির বিজেপি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘‘মুখ্যমন্ত্রীর শুভেন্দু অধিকারী মাত্র ৫ মাসে যা কাজ করেছেন তাতে মানুষের আশীর্বাদ পাচ্ছেন। তৃণমূলীরা এখন কিছু করতে পারছে না, তাদের কিছু করারও নেই। দলটাই তো উঠে গেছে। সেই জন্য মুখ্যমন্ত্রীকে গালিগালাজ করছে। আমি পুলিশ প্রশাসনকে বলব, এদের শাস্তির আওতায় আনা হোক যাতে আগামী দিনে এগুলো কেউ করতে না পারে।”
