সচেতনতাই পারে দুর্ঘটনা ও ট্রমার ক্ষতি কমাতে
চ্যানেল আই অনলাইনপ্রকাশ:
অডিও সংবাদএই খবরটি পডকাস্টে শুনুন
সড়ক দুর্ঘটনা, অগ্নিকাণ্ড কিংবা আকস্মিক যেকোনো বড় আঘাতের পর সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসার অভাবেই দেশে প্রতি বছর হাজার হাজার মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করছেন, হারাচ্ছেন প্রাণ। চিকিৎসকদের মতে, কেবল ট্রমা বা শারীরিক-মানসিক আঘাত নিয়ে ব্যাপক জনসচেতনতাই পারে এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যু ও দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি বহুলাংশে কমিয়ে আনতে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ‘বিশ্ব ট্রমা দিবস’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত বিভিন্ন সেমিনারে এই তথ্য জানান বিশেষজ্ঞরা।
‘ট্রমা’ শব্দটির অর্থ হলো কোনো বাহ্যিক বা অভ্যন্তরীণ গুরুতর আঘাত, যা একজন মানুষকে শারীরিকভাবে পঙ্গু করার পাশাপাশি মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত করে তোলে। বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনাই ট্রমার সবচেয়ে বড় কারণ। পরিসংখ্যান বলছে, দেশে প্রতিদিন গড়ে বহু মানুষ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে ট্রমা সেন্টারে ভর্তি হচ্ছেন।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা জানান, যেকোনো বড় দুর্ঘটনার পর প্রথম এক ঘণ্টাকে বলা হয় ‘গোল্ডেন আওয়ার’ বা সোনালী সময়। এই সময়ের মধ্যে যদি আহত ব্যক্তিকে সঠিক উপায়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে পৌঁছানো যায়, তবে প্রাণহানির ঝুঁকি প্রায় ৫০ শতাংশ কমে আসে। কিন্তু সচেতনতার অভাবে অনেক সময় সাধারণ মানুষ আহত ব্যক্তিকে ভুল পদ্ধতিতে উদ্ধার করেন, যা মেরুদণ্ড বা মস্তিষ্কের আঘাতকে আরও মারাত্মক করে তোলে।
চিকিৎসকদের মতে, ট্রমা প্রতিরোধে সমন্বিত উদ্যোগের বিকল্প নেই। এর মধ্যে রয়েছে- নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা, সর্বস্তরের মানুষকে প্রাথমিক চিকিৎসার (First Aid) বেসিক প্রশিক্ষণ দেওয়া এবং দেশের প্রতিটি মহাসড়কের পাশে আধুনিক ট্রমা সেন্টার স্থাপন করা। একই সাথে, দুর্ঘটনার শিকার ব্যক্তিদের মানসিক ট্রমা বা ট্রমা-পরবর্তী মানসিক চাপ (PTSD) কাটিয়ে উঠতে কাউন্সেলিংয়ের ওপর জোর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
পরবর্তী সংবাদ প্রস্তুত হচ্ছে…
