ছড়া জীবনস্বর
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪১ এএম
আপডেট: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৭ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->এই জীবন চলছে যেথায়
তাতে যাচ্ছি স্রোতে ভেসে,
অতীত যেন দূরে সরেছে
মনের নিকটে এসে।
এই জীবন-নদীর তীরে
ভিড়িয়েছি ডিঙি কত,
ডিঙির ভারে, অকাতরে
জমছে কত না ক্ষত।
দেখেছি কত যে বৈশাখ
পেরিয়েছি অসীম ঝড়,
ভেবেছি নেবো সামলে
তবুও হয়ে ওঠেনি আর।
যতটা চিনেছি মানুষ আমি
যেন ততটা দেখেছি রূপ,
ভুল ভেঙেছে কাছের কেউ
শুধু তাকিয়ে থেকেছি চুপ।
কেন সুখের ঠিকানা কোথায়
লেখা থাকে না চিরকুটে?
কেন থমকে যায় এ জীবন
সব অজানা সংকটে?
আজও যায় খুঁজে কত মুখ
চাঁদ-জ্যোৎস্নামাখা সুখ,
জাপটে রেখে সে মনের ভেতর
‘ভালো থাকার’ অসুখ।
মন চায় পেতে সব ফিরে
যা গিয়েছে চলে দূর,
প্রতিক্ষণে চলছে বেজে
বদলে যাবার সুর।
পাব না কিছুই আর ফিরে,
ক্রমশ হারিয়ে যাব,
হাজারো স্মৃতির ভিড়ে–
যে পাখি যাযাবর,
ফেরে না কভু আপন নীড়ে।
আরও পড়ুন
ছড়া জীবনস্বর
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪১ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->এই জীবন চলছে যেথায়
তাতে যাচ্ছি স্রোতে ভেসে,
অতীত যেন দূরে সরেছে
মনের নিকটে এসে।
এই জীবন-নদীর তীরে
ভিড়িয়েছি ডিঙি কত,
ডিঙির ভারে, অকাতরে
জমছে কত না ক্ষত।
দেখেছি কত যে বৈশাখ
পেরিয়েছি অসীম ঝড়,
ভেবেছি নেবো সামলে
তবুও হয়ে ওঠেনি আর।
যতটা চিনেছি মানুষ আমি
যেন ততটা দেখেছি রূপ,
ভুল ভেঙেছে কাছের কেউ
শুধু তাকিয়ে থেকেছি চুপ।
কেন সুখের ঠিকানা কোথায়
লেখা থাকে না চিরকুটে?
কেন থমকে যায় এ জীবন
সব অজানা সংকটে?
আজও যায় খুঁজে কত মুখ
চাঁদ-জ্যোৎস্নামাখা সুখ,
জাপটে রেখে সে মনের ভেতর
‘ভালো থাকার’ অসুখ।
মন চায় পেতে সব ফিরে
যা গিয়েছে চলে দূর,
প্রতিক্ষণে চলছে বেজে
বদলে যাবার সুর।
পাব না কিছুই আর ফিরে,
ক্রমশ হারিয়ে যাব,
হাজারো স্মৃতির ভিড়ে–
যে পাখি যাযাবর,
ফেরে না কভু আপন নীড়ে।
আরও পড়ুন
ছড়া খুকু খাবে তালের পিঠা
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৯ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->তালের পিঠা অনেক মিঠা
মজা করে খাবে,
পিঠা খেতে খুকুমণি
মামার বাড়ি যাবে।
বন পেরোলেই পদ্মপুকুর
তাল গাছের সারি,
সবুজ শ্যামল গাঁয়ের কোনে
খুকুর মামাবাড়ি।
তাল পেড়ে আনবে খুকু
মামার সাথে ঘরে,
মামির হাতের গরম পিঠা
খাবে মজা করে।
নানা রকম তালের পিঠার
মিষ্টি মধুর ঘ্রাণে,
খুকুমণি তাধিন নাচে
চপল খুশির বানে।
আরও পড়ুন
ছড়া সমার্থক
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৩৭ এএম
ছবি: খবরের কাগজ
-->আকাশটাকে বলতে পারি
নভ, দ্যুলোক, গগন
সূর্যকেও ডাকতে পারি
ভানু, রবি, তপন।
চাঁদটা হলো চন্দ্র, বিধু,
নিশাকর ও শশী
রাতটাকেও বলতে পারি
রজনী ও নিশি।
পাহাড় হলো শৈল, গিরি,
মহীধর ও ভূধর
সমুদ্রকে বলতে পারি
জলধি ও সাগর।
সকালটাকে বলছি প্রভাত,
ঊষা, অরুণোদয়
অন্তরটা–চিত্ত, হিয়া,
অন্তঃকরণ, হৃদয়।
আরও পড়ুন
ছড়া তালপাকা গরম
প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১১:২৪ এএম
মেঘের পর্দা কেটে গেছে
সূর্যের তাপ তাই তো চরম,
শাওন শেষে শারদ-ভাদ্রে
চলছে তালপাকা গরম।
গরম নইলে পাকে না তাল
গুণীজনে ভেবে বলে
তাল পাকাতেই এত গরম
পড়লে বলো কী আর চলে?
অগ্নিগোলা হচ্ছে বর্ষণ
নিঠুর সূর্যের কামান থেকে,
কাজলা মেঘ কোথায় গেলে?
দাও না সূর্যের মুখটা ঢেকে।
ভ্যাপসা গরম, মেজাজ চরম
আমরা সবাই নাজেহাল হই,
তালপাকা গরম তাই তো
তালপাতার পাখা লই।
