দুর্গাপুজোর মরশুম শেষ হতেই ফের মেগা বিক্ষোভ কর্মসূচি নিচ্ছে বিরোধীদের ইন্ডি জোট। কিন্তু রাহুল গান্ধীদের এই কার্যকলাপের জেরে বিরাট আর্থিক ক্ষতি হতে পারে বলে ইতিমধ্যেই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে ব্যবসায়ী সংগঠনগুলি। বিরোধীদের বিক্ষোভ কর্মসূচির জেরে আমজনতার হেঁশেলে হাঁড়ি চড়াতে যেন কোনওরকম সমস্যা না হয়, তার জন্য বিরাট সিদ্ধান্ত নিল এলপিজি বণ্টনকারীদের ফেডারেশন।
প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী ১ নভেম্বর দিল্লির রামলীলা ময়দানে ভোটচুরি ইস্যুতে একটি মেগা জনসভা করতে চায় কংগ্রেস। তাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কয়েক লক্ষ লোক জড়ো করে মাঠ ভরানোর পরিকল্পনা রয়েছে হাত শিবিরের। তার জেরে দিল্লিতে যান চলাচল বেশ ভালোরকম ব্যাহত হতে পারে বলেই আশঙ্কা। কিন্তু সেই যানজটের জেরে গ্যাস সরবরাহ যেন কোনওভাবেই ব্যাহত না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে এবার বিবৃতি দিল এলপিজি বণ্টনকারীদের ফেডারেশন।
ওই বিবৃতিতে বলা হয়েছে, আলোচনার পথ বন্ধ করে দিয়ে যেসব প্রতিবাদ কর্মসূচি হয় তা একেবারেই বাস্তবোচিত নয়। তাই বিরোধীদের প্রস্তাবিত কর্মসূচির মধ্যেও যেন গ্যাস সরবরাহে এতটুকু ত্রুটি না হয়। প্রত্যেক ডিস্ট্রিবিউটারের কাছে আবেদন করা হয়েছে যেন তাঁরা প্রতিবাদে শামিল না হয়ে গ্যাসের যোগান অব্যাহত রাখেন। কোনও পরিবারকে যেন সমস্যার সম্মুখীন হতে না হয়। ফেডারেশন যে দিল্লিতে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি একেবারেই সমর্থন করে না সেকথাও বিবৃতিতে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত, দিল্লির চেম্বার অফ ট্রেড এন্ড ইন্ডাস্ট্রির তরফে চিঠি লিখে লোকসভার বিরোধী দলনেতার কাছে আর্জি জানানো হয়েছে, ওই মেগা প্রতিবাদ কর্মসূচি যেন ধনতেরাস এবং দিওয়ালির পর করা হয়। কারণ উৎসবের মরশুমে দিল্লির বুকে অত বড় বিক্ষোভ বা প্রতিবাদ সভা হলে তার বিরাট প্রভাব পড়বে বাণিজ্যে। সিটিআইয়ের চেয়ারম্যান ব্রিজেশ গোয়েল রাহুল গান্ধীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন, রামলীলা ময়দানের ওই বিক্ষোভ কর্মসূচি অন্তত ১০ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করে দেওয়া হোক। এবার গ্যাস সরবরাহকারীরাও এই প্রতিবাদের তুমুল বিরোধিতা করলেন।
