Published : 17 Oct 2026, 05:55 PM
Updated : 17 Oct 2026, 05:55 PM
বাউল সম্রাট লালন শাহ ছিলেন একজন মরমি সাধক। তার গানে বারবার উঠে এসেছে মানুষকে ভালোবাসা আর ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে আপন করে নেওয়ার কথা।
ব্রিটিশ শাসনামলে হিন্দু ও মুসলমানের মধ্যে যখন বিভেদ বাড়ছিল, তখন লালন মানুষে মানুষে এই বিভেদের বিরোধিতা করেন। তার কাছে জাত বা ধর্মের পরিচয়ের চেয়ে বড় ছিল মানুষের পরিচয়।
কুষ্টিয়ার কুমারখালীর ছেঁউড়িয়ায় আখড়াবাড়িতে জীবনের দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন লালন সাঁই। এখানেই ছিল তার সাধনা ও গানের চর্চা। সময়ের সঙ্গে এই আখড়াবাড়ি হয়ে ওঠে সাঁইজিকে ভালোবাসা মানুষের মিলনস্থল।
১৮৯০ সালের ১৭ অক্টোবর দেহত্যাগ করেন লালন শাহ। দিনটি তার তিরোধান দিবস হিসেবে পালিত হয়। এ উপলক্ষে প্রতিবছর আখড়াবাড়িতে জড়ো হন সাধু, বাউল ও নানা বয়সী মানুষ। গানে গানে তারা স্মরণ করেন সাঁইজিকে।
জাতপাত ও ধর্মের ভেদাভেদ ভুলে মানুষকে মানুষ হিসেবে দেখার যে শিক্ষা লালন দিয়ে গেছেন, তা আজও প্রাসঙ্গিক। সময় পেরিয়ে গেলেও তার গান ও দর্শন মানুষকে ভালোবাসা আর মিলেমিশে থাকার কথা মনে করিয়ে দেয়।
প্রতিবেদকের বয়স: ১৬। জেলা: ঢাকা।
