Published on
:
1 min read
নরেন্দ্রপুরের নাজিরাবাদে মোমো কারখানায় ফের অগ্নিকাণ্ড। কয়েক মাস আগে যে মোমো ও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের গোডাউনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে প্রাণ হারিয়েছিলেন বহু শ্রমিক, এ বার সেই মোমো কারখানার গোডাউনে ফের বিধ্বংসী আগুন লাগার ঘটনায় চাঞ্চল্য। আগুন নেভাতে কাজে নামে দমকলের চারটি ইঞ্জিন। এখনও পর্যন্ত কোনও হতাহতের খবর মেলেনি।
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন সোনারপুর উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক দেবাশিস ধর।। দমকল ও পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, আগুন লাগার কারণ জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে প্রাথমিক ভাবে আগুন লাগার নির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি।
বিধায়ক দেবাশিস ধর জানান, গোডাউনের ভিতরে বহু পুরোনো জিনিসপত্র মজুত ছিল। তার মধ্যে তেলজাতীয় সামগ্রীও ছিল। ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে থাকতে পারে বলে তাঁর অনুমান। তবে এই অগ্নিকাণ্ডের পিছনে নাশকতার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিধায়ক।
তাঁর দাবি, গোডাউনের পুরোনো মালপত্র নিয়ে যাওয়া নিয়ে তৃণমূলের কয়েকজন পুরোনো কর্মীর সঙ্গে আলোচনা হয়েছিল। কিন্তু মালপত্রের দাম নিয়ে সম্ভবত চূড়ান্ত মীমাংসা হয়নি। সেই ঘটনার সঙ্গে আগুন লাগার কোনও যোগ রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে মনে করছেন তিনি। খবর পাওয়ার পরেই দমকলের চারটি ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তার মধ্যে দু’টি নয়নাপুর থেকে আসে। বাকি দু’টি আসে বৈষ্ণবঘাটা ও পাটুলি থেকে।
বিধায়কের দাবি, বর্তমানে আগুন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি নিজেও গোডাউনের ভিতরে গিয়ে পরিস্থিতি দেখেছেন। তবে আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কাঠামোটি ভেঙে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন দমকল ও পুলিশ আধিকারিকেরা।
প্রসঙ্গত, গত ২৫ জানুয়ারি আনন্দপুরের নাজিরাবাদে একটি ডেকরেটার্সের গোডাউনে আগুন লাগে। সেখান থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ে পাশের মোমো তৈরির কারখানাতে। আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। ওই গোডাউন এবং কারখানায় একাধিক কর্মী কাজ করতেন। অগ্নিদগ্ধ হয়ে ২৫ জনের বেশি মৃত্যুর খবর পাওয়া যায় এই ঘটনায়।
