নওগাঁর ধামইরহাটে প্রতিপক্ষের দ্বন্দ্বের বিষে ৭ কৃষকের প্রায় ১০ বিঘা জমির ধান পুড়ে গেছে। রাসায়নিক স্প্রে করে দরিদ্র কৃষকদের ধান বিনষ্ট করে ৫ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে ৭ জনকে আসামি করে ধামইরহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগী চানমুদ্দীন গং। শুক্রবার সকালে সরেজমিনে রূপনারায়ণপুর মাঠে গিয়ে ঘটনার সত্যতা দেখতে পান।
ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক ও মামলার বাদী রূপনরায়ণপুর গ্রামের মৃত আমির উদ্দিনের ছেলে চানমদ্দীন জানান, তিনিসহ অপর কৃষক মামুন হোসেন, আমিনুল, রিয়াজ, মিজানুর, মাসুদ ও মোমিন ৩ দশমিক ১৭ একর সম্পত্তি ক্রয়সূত্রে প্রাপ্ত হয়ে চাষাবাদ করে আসছেন এবং আমন মৌসুমে ধান রোপণ করেন। প্রতিপক্ষ একই গ্রামের নাসির উদ্দিনের ছেলে ওবায়দুল ইসলাম, এন্দাদুল ওরফে বিপ্লব, বাবু, সাবু এবং মুজাই ও এর ছেলে মোমিন ও খোকার ছেলে জিয়ারুল ইসলাম ২০ অক্টোবর রাতে ওই জমিতে স্প্রে করাকালে স্থানীয় মিজানুর তা দেখে ফেললে প্রতিপক্ষ বিপ্লব গং প্রত্যক্ষদর্শী মিজানুর রহমানকে ধাওয়া দিলে সে প্রাণ ভয়ে জমিতে লুকায় ও পরবর্তীতে কৌশলে পালিয়ে আসে। পরদিন সকালে ঘটনার বিষয়টি মিজানুর জমির মালিক চানমদ্দীনকে জানায় এবং সে জমিতে গিয়ে সব ধান বিবর্ণ দেখতে পায়।
মামলা ও শত্রুতা রয়েছে স্বীকার করে অভিযুক্ত বিপ্লব মুঠোফোনে বলেন,‘ জমিটির দাবিদার আমরাই, তারা আমাদের জমিতে জোর করে ধান লাগিয়েছে এবং চানমুদ্দীন গং মামলা দিয়ে হয়রানি করছে, আমরা কারও জমিতে স্প্রে করিনি, তারা আমাদের হয়রানি করতে মিথ্যা অভিযোগ করছে।’
ধামইরহাট থানার ওসি মিন্টু রহমান বলেন, কেউ সম্পত্তির আইনগত বৈধ মালিক হলে সে ফসল দাবি করতেই পারে, কিন্তু কারও ফসল ধ্বংস করা ফৌজদারি অপরাধ। অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।