প্রবল জনস্রোত। তার জেরে সময়মতো সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছতেই পারলেন না রাহুল গান্ধী। তবে এদিন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে শীর্ষ আদালতে পিটিশন দায়ের করলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা। যদিও এই আচরণকে তুলোধোনা করেছে বিজেপি। সাংসদ অনুরাগ ঠাকুরের তোপ, বিরোধীরা বিচারব্যবস্থাকে ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে। যখন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ভোটচুরির প্রমাণ চেয়েছেন, তখন রাহুল পালিয়ে এসেছেন, তোপ অনুরাগের।
রবিবারই ‘সুপ্রিম কোর্ট অভিযান’-এর কথা ঘোষণা করেছিল বিরোধী শিবির ‘ইন্ডিয়া’ জোট। ঠিক হয়েছিল সর্বোচ্চ আদালতে গিয়ে দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তর সঙ্গে দেখা করে স্মারকলিপি দেবেন রাহুল গান্ধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, অখিলেশ যাদব-সহ বিরোধী শীর্ষনেতারা। যদিও গতকাল রাতেই প্রধান বিচারপতি জানিয়ে দেন, ইন্ডিয়া জোটের নেতাদের সময় দিতে পারবেন না তিনি। পাশাপাশি জানান, তারা (ইন্ডি জোট) যে বিষয় উত্থাপন করার পরিকল্পনা করেছেন, সেগুলি ইতিমধ্যে বিচারাধীন এবং সুপ্রিম কোর্টে সেগুলির শুনানি চলছে। আদালত রাজনীতি করার জায়গা নয় বলেও বার্তা দেন তিনি।
প্রধান বিচারপতির দেখা না পেলেও এদিন পদযাত্রা শুরু করে ইন্ডি জোট। বিরাট জনসমাগম হয় এদিনের মিছিলে। রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন খাড়গে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রমুখ শীর্ষ নেতা আদালতের পথে যাত্রা করেছেন। ভিড়ে আটকে যায় ইন্ডি প্রতিনিধিদের বাস। ফলে পিটিশন জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছতে পারেননি রাহুলরা। পরে দেখা যায়, আইনজীবীরা রাহুলের হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মঙ্গলবারই এই মামলার শুনানি হবে প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে।
