পুজো মানেই পেটপুজোয় কোনও আপস নয়! কিন্তু ঠাকুর দেখা, আড্ডা আর ঘোরাঘুরির ফাঁকে রান্নার ঝক্কি সামলানো বেশ কঠিন। তাই পুজোর কয়েকটা দিন রান্নাঘর থেকে ছুটি নিয়ে বাঙালি খাবারের স্বাদ চেখে দেখতে পারেন হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্টে। ষষ্ঠী থেকে নবমী পর্যন্ত এখানে থাকছে বিশেষ আনলিমিটেড বুফে। দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টে এবং সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত চলবে এই আয়োজন। মাথাপিছু খরচ ১৫৫৫ টাকা। সঙ্গে থাকছে বিনামূল্যে স্বাগত পানীয়।
হোটেলের এক্সিকিউটিভ শেফ রণঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনায় সাজানো এই মেনুতে থাকছে মাংসের কোর্মা, কমলা কাতলা, মাছের পাতুরি, চিংড়ি মালাইকারি, ঢাকাই মোরগ পোলাও এবং বামনবাড়ির শুক্তোর মতো নানা পদ। বাঙালি রান্নার পরিচিত স্বাদের পাশাপাশি এ বার নতুন পদেও চমক দিতে চান শেফ। তাঁর সংযোজন ‘মাছের ডিমের মেলবা টোস্ট’। মাছের ডিম দিয়ে তৈরি এই অভিনব পদ ভোজনরসিকদের কতটা মন কাড়ে, সেটাই দেখার। খাওয়াদাওয়ার সঙ্গে উপরি পাওনা লোকসঙ্গীতের আসর।
খাবারের আয়োজন ছাড়াও হোটেলের অন্যতম আকর্ষণ চকোলেটের দুর্গাপ্রতিমা। এ বার এই উদ্যোগ নবম বছরে পা দিচ্ছে। প্রায় ৪০ কেজি চকোলেট দিয়ে তৈরি হবে সাড়ে সাত ফুট উচ্চতার প্রতিমা। এ বছরের মূল ভাবনা ‘দুর্গা মণ্ডপ’। সাবেকি বাড়ির পুজোর আবহ ফিরিয়ে আনার চেষ্টা থাকবে সাজসজ্জায়।
পুজোয় কলকাতা ঘুরতে এসে হোটেলে থাকতে চাইলে রয়েছে বিশেষ প্যাকেজও। দু’জনের জন্য প্রতি রাতের খরচ ৭৯৯৯ টাকা। এর সঙ্গে মিলবে জলখাবার এবং দুপুর বা রাতের খাবারের মধ্যে যে কোনও এক বেলার খাবার। কলকাতার ঠাকুর দেখার পরিকল্পনা থাকলে হোটেল থেকে গাড়িও পাওয়া যাবে। চার ঘণ্টা এবং ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত এই গাড়ির পরিষেবা বিনামূল্যে মিলবে।
সব মিলিয়ে পুজোর ছুটিতে বাঙালি খাবার, লোকসঙ্গীত আর উৎসবের আবহ—এক ছাদের তলায় উপভোগ করার সুযোগ থাকছে হলিডে ইন কলকাতা এয়ারপোর্টে।
এই প্রতিবেদনটি ‘আনন্দ উৎসব’ ফিচারের একটি অংশ।
