ছবির ক্যাপশন: .
বিশেষ সংবাদদাতা
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-২ আসনের সংসদ সদস্য আমান উল্লাহ আমান বলেছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজায় প্রতিটি পূজামণ্ডপে সরকারের পক্ষ থেকে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিএনপি সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিতে বিশ্বাস করেন। বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ নিরাপদে থাকেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কেরানীগঞ্জের বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে কোনাখোলা দুর্গামন্দিরে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমান উল্লাহ আমান বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক দিনে চারটি বিভাগে হিন্দু সম্প্রদায়ের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন। কোনো সরকারপ্রধানের এ ধরনের পরিদর্শনের নজির ইতিহাসে নেই বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর ওপর আস্থা রেখে ধানের শীষে ভোট দিয়েছেন। বিএনপি সেই আস্থার মর্যাদা রক্ষা করবে। আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দখল হওয়া হিন্দু সম্প্রদায়ের চারটি মন্দির বিএনপি উদ্ধার করেছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘ধর্ম যার যার, নিরাপত্তা পাওয়ার অধিকার সবার।’ এই নীতিতে বিশ্বাসী বিএনপি দেশের সব ধর্মের মানুষের নিরাপত্তা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে কাজ করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও এবার দুর্গাপূজায় হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশে থাকবেন।
তিনি আরও বলেন, দুর্গাপূজার মণ্ডপগুলোতে বিএনপির নেতাকর্মীরা অতন্দ্র প্রহরীর মতো দায়িত্ব পালন করবেন। প্রতিটি পূজামণ্ডপে তিন শিফটে পাহারা দেওয়া হবে। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে নির্বিঘ্নে ও শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য উৎসব চলাকালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি বিএনপির নেতাকর্মীরাও মণ্ডপের নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন।
কোনাখোলা দুর্গামন্দিরের সভাপতি নরেশ চন্দ্র সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাস্তা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. সামছুল হক, বিএনপির সভাপতি ফিরোজ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, বিএনপি নেতা মো. আলমগীর হোসেন, ওয়ালীউল্লাহ সেলিমসহ স্থানীয় নেতাকর্মী ও সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
