ক্যান্সার চিকিৎসায় আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার ও জ্ঞান বিনিময়ের লক্ষ্যে ঢাকার অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডিতে (লাইসেন্সি: জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল পিএলসি.) অনুষ্ঠিত হলো আন্তর্জাতিক কন্টিনিউয়িং মেডিকেল এডুকেশন (সিএমই) প্রোগ্রাম। টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতাল ও অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির যৌথ উদ্যোগে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অক্টোবর মাসজুড়ে পরিচালিত আন্তর্জাতিক স্তন ক্যান্সার সচেতনতা মাসের অংশ হিসেবে একটি সচেতনতামূলক র্যালি ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে দিনের সূচনা হয়।
সিএমই সেশনে বাংলাদেশের প্রায় ১০০ জন মেডিকেল শিক্ষার্থী, পোস্ট গ্র্যাজুয়েট রেসিডেন্ট ও কনসালট্যান্ট অংশ নেন। এতে বিশেষায়িত মেডিকেল অনকোলজি, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, গাইনি এবং ব্রেস্ট অনকোলজি সার্জারি বিষয়ক দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেশন পরিচালনা করা হয়। সেশনগুলো হলো— ‘বিঅন্ড কেমোথেরাপি: ব্রেস্ট, ফুসফুস ও কোলোরেক্টাল ক্যান্সার চিকিৎসায় ইমিউনোথেরাপি ও টার্গেটেড থেরাপির ক্রমবিকাশ’ এবং ‘ইভলভিং প্যারাডাইমস ইন দ্য ম্যানেজমেন্ট অব ব্রেস্ট ক্যান্সার’।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভারত থেকে আসা টেইনমপেট, চেন্নাইয়ের অ্যাপোলো হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ মেডিকেল অনকোলজিস্ট ডা. নিরঞ্জন বিজয়ারাঘবন এবং গ্যাস্ট্রো, গাইনি ও ব্রেস্ট অনকোলজিস্ট ডা. ঊষা গৌতম মেহতা। অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডির পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন অনকোপ্লাস্টিক ব্রেস্ট সার্জন ডা. আলি নাফিসা।
আয়োজকেরা জানান, এ ধরনের উদ্যোগ দেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতের অগ্রগতিতে এবং চিকিৎসকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধিতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে। একই সাথে তা জেএমআই স্পেশালাইজড হসপিটাল লিমিটেড পিএলসি এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন অ্যাপোলো হাসপাতালের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তিকে আরও মজবুত করেছে।
প্রসঙ্গত, অ্যাপোলো ক্লিনিক ধানমন্ডি সাশ্রয়ী মূল্যে বিশ্বমানের সমন্বিত চিকিৎসাসেবা প্রদান নিশ্চিত করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটির প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ৩০ হাজারেরও বেশি বহির্বিভাগ (ওপিডি) রোগী, ৩ হাজার অভ্যন্তরীণ (আইপিডি) রোগী এবং ১ হাজার ৫০০টিরও বেশি জটিল অস্ত্রোপচার সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে, যেখানে সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের হার ১ শতাংশেরও কম। বিদেশে না গিয়ে দেশেই আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা প্রদান ও ভবিষ্যতে বাংলাদেশে মেডিকেল ট্যুরিজম আকর্ষণ করাই তাদের মূল লক্ষ্য।
